কথায় বলে জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। অর্থাৎ এতে আমাদের হাত থাকে না। সব আগে থেকেই ধার্য। কিন্তু বিয়ের ফুল ফুটলে, বিয়ের বাজানা বাজতে কেউ আটকাতে পারে না। এই কথাও সত্যি।
২৮
কেউ হলফ লাগিয়ে বিয়ের কথা বলতে না পারলেও, জ্যোতিষশাস্ত্র বিবাহের আভাস দিতে পারে। ২০২৫ সাল শেষের পথে। নতুন আলো নিয়ে আসবে ২০২৬। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, ২০২৬ সালে বেশ কয়েকটি রাশির বিয়ের যোগ রয়েছে বলে মনে করছেন তাবড় জ্যোতিষীরা।
তবে সমস্তটাই নির্ভর করে জাতক-জাতিকার কুন্ডলী ও হস্তরেখার উপর! তবু রাশি চক্রের সামগ্রিক গতির উপর নির্ভর করে মনে করা হচ্ছে, মিথুন, সিংহ, কন্যা, কুম্ভ ও কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন, বলে মনে করা হচ্ছে।
৪৮
মিথুন রাশি: মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের ২০২৬ সালে বিবাহযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষীরা। তাছাড়াও এই রাশির যে জাতক-জাতিকারা প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন তাঁদের প্রেম আরও দৃঢ় হবে। প্রেমের জোয়ারে ভাসবেন এরা।
৫৮
সিংহ রাশি: এই রাশির যে সমস্ত জাতক-জাতিকারা দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন, তাঁদের প্রেম পূর্ণতা পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকে নতুন করে প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে পারেন বলে অনুমান।
কন্যা রাশি: কন্যা রাশির যে সমস্ত জাতক-জাতিকারা দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের জন্য চেষ্টা করছেন, তাঁদের কপালে শিঁকে ছিড়তে পারে। শুধু তাই নয়, প্রেমিকা বা স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে উন্নতি হবে।
৭৮
কুম্ভ রাশি: ২০২৬ সালে এই রাশির জাতক-জাতিকারা বিয়ে করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র।
৮৮
কর্কট রাশি: নতুন বছরে কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের বিয়ের পিঁড়িতে বসার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। নতুন প্রেম পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগে থেকে যারা সম্পর্ক রয়েছেন, তাঁদের সম্পর্ক পূর্ণতা পেতে পারে।
রাত যত বাড়ছে ততই যেন ভিড় বাড়ছে তিলোত্তমার পথেঘাটে। প্রিয়জনের সঙ্গে পার্ক স্ট্রিটে পথচলতি মানুষের ভিড়। কেউবা ক্রিসমাস ইভে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে চুটিয়ে মজায় ব্যস্ত। যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তাই কলকাতার অলিগলিতে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করেছে পুলিশ।
৪৮
ইতিমধ্যে আবার পর্তুগিজ চার্চে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থনার আগে চার্চে একাধিক রীতিনীতিতে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ছবি: পিণ্টু প্রধান।
৫৮
এবার অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার ক্রিসমাস ইভে চার্চে যেতে দেখা গিয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে প্রত্যেক উৎসবের গা ভাসাতে দেখা যায় তাঁকে।
বড়দিন কেন্দ্র করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পার্ক স্ট্রিট! আলোকসজ্জায় এবার সেই পার্কস্ট্রিটকে হার মানতে চলেছে সৈকত শহর দিঘা। সন্ধ্যা নামতেই দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সামনের রাস্তা বাহারী আলোয় ঝলমল করে উঠেছে। আলোর সাজে সাজিয়ে তোলা হয়েছে মন্দিরকেও। শুধু তাই নয়, রঙিন আলোয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে সৈকতপাড়কেও। এই প্রথম বড়দিনকে মাথায় রেখে সাজিয়ে তোলা হয়েছে সৈকত শহরকে।
২৭
ড়দিনের আগের সন্ধ্যায় দিঘায় ভিড় জমিয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। বুধবার সকাল থেকেই ভিড় জগন্নাথ মন্দিরেও। শুধু তাই নয়, সমুদ্র স্নানেও পর্যটকদের ভিড় ছিল নজরকাড়া। ভিড়ের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে দিঘাকে।
দিঘার বিনোদনে বাড়তি মাত্রা যোগ করছে লেজার-শো। অন্যতম বিনোদন পার্ক ‘ওয়ান্ডারল্যান্ড কাজল দিঘি’ লেকে শুরু হয়েছে অত্যাধুনিক লেজার-শো। দিঘার অমরাবতী পার্কের কাছেই রয়েছে কাজলদিঘি লেক। সবুজ গাছগাছালিতে ভরা এই সুসজ্জিত পার্কের মাঝখানে বড় আকারের লেক রয়েছে।
৪৭
শুধু তাই নয়, টয়ট্রেন এই পার্কের অন্যতম আইটেম। লেকের ধার দিয়ে কু-ঝিকঝিক শব্দে ছুটে চলা টয়ট্রেন ছোটদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়ও বটে। যা লেকের চারদিক প্রদক্ষিণ করে। পর্যটকরা জলাশয়ে প্যাডেল বোটে জলবিহারে সওয়ার হন। সঙ্গে শিশুদের জন্য হরেকরকম রাইড রয়েছে পার্কে। রয়েছে পাখিদের সঙ্গে আলাপ করার সুযোগও। কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে নিরিবিলি পরিবেশে রয়েছে এই পার্ক। সব বয়সের মানুষের কাছে প্রিয় ডেস্টিনেশন ওয়ান্ডারল্যান্ড কাজল দিঘি।
৫৭
এর মধ্যে নতুন সংযোজন নিঃসন্দেহে লেজার-শো। এই লেজার-শো চালু হওয়ায় পার্কটির গুরুত্ব এবং আকর্ষণ বেড়ে গেল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ সূত্রে খবর, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই শো দেখা যাবে। মাথাপিছু প্রবেশমূল্য ধার্য করা হয়েছে মাত্র ২০টাকা। ডিএসডিএ’র তত্ত্বাবধানে বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থা পার্কটি পরিচালনা করে।
অন্যদিকে একদিকে নিরাপত্তা এবং যানজট এড়াতে বুধবার সন্ধ্যা থেকেই দিঘায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশকর্মীকে। কয়েকদফায় হয়েছে বৈঠকও।
৭৭
কাঁথির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস জানান, “দিঘায় যানজট মুক্ত রাখতে ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর ও ৩০ ও ৩১শে ডিসেম্বর দিনগুলিতে দিঘার প্রবেশদ্বার থেকে কোনো ভাবে টোটো প্রবেশ করতে পারবে না। পর্যটকদের এবং রুটের সমস্ত বাস বাইপাস হয়ে যাতায়াত করবে। দিঘায় মোট সাতটি পার্কিং পয়েন্ট করা হচ্ছে সেখানেই পর্যটকেরা তাদের গাড়ি রাখবে। সেইসঙ্গে ঐ দিন গুলিতে যাতে কোন রকম অশান্তি সৃষ্টি না হয় সেদিকে আমাদের...