বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন ভারত অধিনায়ক। ৫৯৭ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান স্কোরার রোহিত শর্মা। স্ট্রাইক রেটের নিরিখে প্রথম সারিতে ভারতীয় ওপেনার।
২১১
ট্র্যাভিস হেড। বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ও ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার নায়ক। মাত্র ৬ ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে ৩২৯ রান করেছেন অজি ব্যাটার। তাঁর হাত ধরেই ষষ্ঠবার বিশ্বকাপ জিতল অস্ট্রেলিয়া।
বিরাট কোহলি। বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার। ৭৬৫ রান, তিনটি সেঞ্চুরি, ৬টি অর্ধশতরানের ইনিংস। সম্ভবত জীবনের শেষ বিশ্বকাপ খেলে দুরন্ত পারফরম্যান্স কিং কোহলির।
৪১১
রাচীন রবীন্দ্র। বিশ্বকাপের সেরা আবিষ্কার। মেগা টুর্নামেন্টের অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। ১০ ম্যাচে ৫৭৮ রান করেছেন নিউজিল্যান্ডের তরুণ তুর্কি।
৫১১
ড্যারেল মিচেল। নিউজিল্যান্ড ব্যাটিংকে একাই টেনেছিলেন বিশ্বকাপে। সেমিফাইনালেও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। ১০ ম্যাচে তাঁর রান ৫৫২।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রান তাড়া করে প্রথম ব্যাটার হিসাবে ২০০ করেছেন। নিশ্চিত হার থেকে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ জিতিয়েছেন। দরকার পড়লে বোলিং করে উইকেট তুলে নেওয়ারও ক্ষমতা রয়েছে ম্যাড ম্যাক্সের।
৭১১
জেরাল্ড কোয়েৎজি, দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ পেসার। মাত্র ৮টি ম্যাচ খেলে ২০ উইকেট নিয়েছেন প্রোটিয়া পেসার। প্রয়োজন পড়লে ব্যাট করতেও পারেন।
৮১১
প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক গোটা টুর্নামেন্টে সেভাবে ভালো বল করতে পারেননি। তবে ফাইনালে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পান। চাপের মুখেও দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। বিশ্বকাপের সেরা একাদশের অধিনায়কত্বের দায়িত্বও তাঁরই।
৯১১
মহম্মদ শামি। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। শুরুর দিকে দলে না থাকলেও দুরন্ত পারফর্ম করে তুলে নিয়েছেন ২৪টি উইকেট।
১০১১
জশপ্রীত বুমরাহ। ১১ ম্যাচে ২০ উইকেট পেয়েছেন তারকা পেসার। সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় চতুর্থ স্থানে।
হারের ধাক্কা সামলাতে পারেননি বিরাট কোহলি। তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী অনুষ্কা শর্মাকেও কান্না সামলাতে দেখা গিয়েছে। পরের দিকে মাঠে নেমে তিনি জড়িয়ে ধরলেন।
২৭
মাঠেই উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ। ভারত ফাইনাল হারের পর X হ্যান্ডেলে দলের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। এমনকি ৬ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও ভারতের প্রশংসা করলেন অভিষেক বচ্চন, অজয় দেবগন, কাজলের মতো অভিনেতারা।