উদীয়মান তারকাদের তালিকায় সকলের উপরে রয়েছেন শুভমান গিল। চলতি বছরে দারুণ ফর্মে ছিলেন। বিশ্বকাপেও দুরন্ত খেলবেন, এমনটাই আশা ছিল। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি গিল। এখনও পর্যন্ত ২৭০ রান করেছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন।
২৫
দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো জানসেন। বোলার হিসাবেই তাঁর পরিচিতি। বিশ্বকাপে ১৭টি উইকেট পেয়ে তিনিই দলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। তবে ব্যাট হাতেও চমকে দিয়েছেন প্রোটিয়া তরুণ। ১৭০ রান করে ফেলেছেন চলতি বিশ্বকাপে।
রাচীন রবীন্দ্র। বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত নাম। ভারতীয় বংশোদ্ভূত কিউয়ি ব্যাটার মেগা টুর্নামেন্ট খেলতে নেমেই সেঞ্চুরি হাঁকান। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্মরণীয় ইনিংসের পর আরও ভালো হতে থাকে তাঁর পারফরম্যান্স। চলতি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নিউজিল্যান্ডের এই তারকা।
৪৫
ইব্রাহিম জাদরান। চলতি বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের স্বপ্নের দৌড়ের অন্যতম কারিগর। প্রথম আফগান হিসাবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। দলের হয়ে ওপেন করতে নেমে ৩৭৬ রান করেছেন। আফগানিস্তান বিদায় নিলেও সেরা তারকাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন আফগান তরুণ।
৫৫
নেদারল্যান্ডসের অলরাউন্ডার বাস ডি লিড। তাঁর হাত ধরেই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা পেয়েছিল কমলা ব্রিগেড। মেগা টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে যদিও সেভাবে নজর কাড়তে পারেননি। তবে ১৬টি উইকেট তুলে নিয়েছেন এই তরুণ। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চমকে দেওয়ার নেপথ্যেও ছিল বাসের ম্যাজিক।
রবিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে রান্না করলেন ভোগ। তবে এই প্রথম নয়, প্রতিবছরই বাড়ির ভোগ রান্না করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা।
পাকিস্তান বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ চলাকালীন 'আম্পায়ার্স কল' ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়। ৪৬তম ওভারের মোক্ষম সময় তাবরিজ শামসির বিরুদ্ধে লেগ বিফোরের আবেদন করেছিলেন হ্যারিস রউফ। তবে 'আম্পায়ার্স কল'-এর জন্য তাবরিজ শামসি বেঁচে যান। হরভজন সিং 'আম্পায়ার্স কল' আইনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন।
৪৫
বিশ্বকাপের লেজার লাইট জ্বালানো নিয়ে রীতিমতো অসন্তুষ্ট ছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। স্টেডিয়ামের ভিতরের লেজার লাইট শো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলার সময়, ড্রিঙ্কস বিরতিতে দর্শকদের জন্য লেজার শোয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এই সময় দু’হাত দিয়ে চোখ ঢেকে রেখেছিলেন 'ম্যাড ম্যাক্স'।
৫৫
ভারতের বিরুদ্ধে হারের পর অভাবনীয় অজুহাত খাড়া করেছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ডিরেক্টর মিকি আর্থার। তাঁর দাবি ছিল করলেন যে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ‘দিল দিল পাকিস্তান’ গান না বাজার জন্য বাবর আজমদের খেলায় প্রভাব পড়েছিল!