জি-২০ সম্মেলন আয়োজনের গুরু দায়িত্ব এবার ভারতের উপর। সোমবার থেকে পর্যটন সংক্রান্ত তিনদিনের সম্মেলন শুরু হচ্ছে ভূস্বর্গ জম্মু-কাশ্মীরে। প্রস্তুতি শেষ। বৈঠক শুরুর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে শ্রীনগর। ছবি: মাসুদ আহমেদ।
২৬
পর্যটন সংক্রান্ত সম্মেলন। আর কে না জানে পর্যটনস্থল হিসেবে বিখ্যাত এ দেশের 'সুইজারল্যান্ড' কাশ্মীর উপত্যকা? তাই জি-২০ সম্মেলন এবার বসছে এখানে। প্রস্তুতিপর্বে গোটা রাজ্যে কড়া নজরদারি সেনার। ছবি: মাসুদ আহমেদ।
'প্রাচ্যের ভেনিস' কাশ্মীরের ডাল লেক। সুসজ্জিত শিকারায় ভেসে হিমালয়ের সৌন্দর্য দর্শন যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি! সেই ডাল লেকে এখন শুধু শিকারা নয়, দেখা যাচ্ছে নৌবাহিনীর নজরদারি জলযান। ছবি: মাসুদ আহমেদ।
৪৬
পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পর্যটন স্থলটি কিন্তু বহু নাশকতার সাক্ষী। জি-২০ সম্মেলনের কোনওরকম অশান্তি রুখতে দিনরাত কড়া নজরদারি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। দূরবীনে চোখ রেখে খুঁজছে নিরাপত্তার ফাঁকফোকর। ছবি: মাসুদ আহমেদ।
৫৬
সোম থেকে বুধ, পর্যটন নিয়ে তিনদিনের জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে রবিবার থেকেই প্রতিনিধিরা আসতে শুরু করেছেন। আর কাশ্মীর উপত্যকায় পা রেখে তাঁরা বিস্মিত। এ যেন অন্য কাশ্মীর! ছবি: মাসুদ আহমেদ।
ব্যাটার হিসাবে মরশুম ভালই কেটেছে নীতীশ রানার। ১৪ ম্যাচে ৪১৩ রান করেছেন কেকেআর অধিনায়ক। গড় ৩১-এর উপরে। স্ট্রাইক রেটও প্রায় ১৪১। রানার অধিনায়কত্ব নিয়ে মাঝে মাঝে প্রশ্ন উঠলেও মোটের উপর খুব খারাপ করেননি কেকেআর অধিনায়ক।
২১১
ওপেনার হিসাবে ৮ ম্যাচ খেলে ২৮৫ রান করেছেন রয়। স্ট্রাইক রেটও দেড়শোর উপর। মোটের উপর ভালই পারফর্ম করেছেন ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার।
১১ ম্যাচে ২২৭ রান। ইডেনে দুটো অর্ধশতরান ছাড়া আর কিছুই করেননি আফগান ব্যাটার। বরং মাঝে মাঝেই দলকে বিপদে ফেলেছেন।
৪১১
মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছেন। আরও দু-একটা ভাল ইনিংস খেলেছেন। কিন্তু ধারাবাহিকতার অভাব ভুগিয়েছে ভেঙ্কিকে। একাধিক ম্যাচে ভাল পরিস্থিতি থেকেও দলকে জেতাতে পারেননি।
৫১১
মরশুমে কেকেআরের সেরা পারফরম্যার। বলা ভাল, গোটা আইপিএলের অন্যতম সেরা পারফরম্যার রিঙ্কু। কার্যত একার কাঁধেই গোটা নাইট টিমকে বয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। ১৪ ম্যাচে ৪৭৪ রান করে নাইটদের সেরা পারফরম্যারও তিনিই।
১৪ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে চলতি মরশুমে নাইটদের সেরা বোলার ছিলেন বরুণ। কঠিন ওভারগুলিতে বল করা সত্ত্বেও ইকোনমি রেট ৮ রানের সামান্য বেশি।
৭১১
সুয়শ শর্মা: ৬ এই মরশুমে নাইটদের আবিষ্কার তরুণ লেগ স্পিনার। ১১ ম্যাচে ১১ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ভাল গাইডেন্স পেলে আগামী মরশুমগুলিতে পরিপক্ক বোলার হিসাবে উঠে আসতে পারেন তিনি।
৮১১
আন্দ্রে রাসেল: ৬/ সুনীল নারিন: ৪ এই মরশুমের শেষে দুই ক্যারিবিয়ানের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল। আন্দ্রে রাসেল ব্যাট হাতে কয়েকটি ছোট ছোট ভাল ইনিংস খেললেও সেটা তাঁর আগের ফর্মের ছায়ামাত্র। আর নারিন ব্যাট বা বল কোনওটিই আর আগের মতো করতে পারছেন না। এই মরশুমে নাইটদের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যারদের মধ্যে রয়েছেন নারিনই।
৯১১
শার্দূল ঠাকুর: ৩/ উমেশ যাদব: ২ শার্দূল ঠাকুর এবং উমেশ যাদব, দু'জনকেই ভুগিয়েছে চোটে। দলের যে দুই পেসারের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা ছিল নাইটদের, তাঁরা কার্যত গোটা মরশুম বলই করতে পারেননি। বিশেষ করে উমেশের পারফরম্যান্স একেবারেই উল্লেখযোগ্য নয়।
১০১১
টিম সাউদি: ২/ লকি ফার্গুসন ২ মরশুমের শুরুতে ধরে নেওয়াই হয়েছিল দুই কিউয়ি পেসারের একজন নিয়মিত নাইটদের প্রথম একাদশে থাকবেন। কিন্তু মরশুম শেষে দেখা যাচ্ছে দু'জন মিলে খেলেছেন মোটে ৩ উইকেট। এতেই বোঝা যায় কতটা হতাশ করেছেন টিম সাউদি এবং লকি ফার্গুসন
১১১১
দলের সিনিয়র পেসাররা যখন হতাশ করলেন, তখন বরং কেকেআরকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিলেন এই দুই তরুণ পেসার। হর্ষিত রানা এবং বৈভব অরোরা দুজনেই ভাল পেসে বল করেন। হর্ষিত নতুন বলে এবং বৈভব ডেথ ওভারে ভাল পারফর্ম করেছেন।
কর্ণাটকে সিদ্দারামইয়ার শপথের মঞ্চ যেন চাঁদের হাট। উপস্থিত বিরোধী শিবিরের ৬ মুখ্যমন্ত্রী।
২৬
রাজস্থানের অশোক গেহলট, হিমাচলের সুখবিন্দর সিং সুখু, ছত্তিশগড়ের ভুপেশ বাঘেল, তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন, বিহারের নীতীশ কুমার এবং ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনও উপস্থিত ছিলেন।
এরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির শরদ পওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুখ আবদুল্লাহ, পিডিপির মেহেবুবা মুফতি, আরজেডির তেজস্বী যাদব।
৪৬
বামেদের তরফে সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি এবং সিপিআইয়ের ডি রাজা উপস্থিত ছিলেন।
৫৬
কংগ্রেসের তরফে সরাসরি বিজেপির বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী সব বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, শুধু আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির কেসিআর বাদে।