করোনা অতিমারী কাটিয়ে এ বছর ধুমধাম করে উদযাপিত হচ্ছে গণেশ চতুর্থী। কলকাতার বিভিন্ন এলাকাও এদিন মেতে উঠেছে গণেশ পুজোয়। খান্নার মোড়ে বিরাট গণেশের পুজোয় হাজির ভক্তরা।
২৯
করোনাকালের খরা কাটিয়ে শয়ে শয়ে গণেশ পুজোর বায়নায় নতুন করে হাল ফিরেছে কুমোরটুলির। গণেশের চাহিদায় পটুয়াপাড়ায় কার্যত কোণঠাসা বিশ্বকর্মা। শোভাবাজারেও এদিন জাঁকজমক করে হচ্ছে গণেশ চতুর্থী।
তিনি গণপতি, তিনিই বিঘ্নহর্তা। গণেশ চতুর্থীতে পূজিত হচ্ছে বাস্তবের গজরাজও।
৭৯
হিন্দু শাস্ত্রে তেত্রিশ কোটি দেবতার মধ্যে সর্বাগ্রে পূজিত হন গণেশ। সমস্ত বাধা-বিঘ্ন, সমস্যা, দূর করতে সিদ্ধিদাতার পুজো করে থাকেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও মাতলেন পুজোয়।
৮৯
মধ্যপ্রদেশেও পুজোর আমেজ। এদিন গণেশের আরাধনা করতে দেখা গেল সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।
৯৯
'গণপতি বাপ্পা মৌরিয়া'। আজ থেকে ১১ দিন ধরে চলবে গণেশ পুজো। ৯ সেপ্টেম্বর হবে প্রতিমা বিজর্ন
মোহনবাগান নামের পাশ থেকে এটিকে মুছে ফেলার দাবি বহুদিন ধরে জানিয়ে আসছেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। তা নিয়ে ডার্বির দিনও প্রতিপক্ষের কটাক্ষ শুনতে হল তাঁদের।
৪৮
একে শতবর্ষের ডার্বি, তার উপর যুবভারতীতে বসে খেলা দেখার অনুমতি পেয়েছেন দর্শকরা। তাই নানা ফেস্টুন, টিফো, পোস্টারে সমর্থকরা ভরিয়ে তুলেছিলেন গ্যালারি।
৫৮
ডার্বির মঞ্চকে এদিন প্রতিবাদের মঞ্চও বানিয়ে ফেলেছিলেন তাঁরা। প্রশাসনিক কর্তাদের গাফিলতিতে নির্বাসিত হয়েছিল ফেডারেশন। 'ফুটবল মাফিয়া'দের জন্য নষ্ট হচ্ছে ভারতীয় ফুটবলের ভাবমূর্তি। সেই সংক্রান্ত টিফোও এদিন দেখা যায় গ্যালারিতে।
নিজেদের দলের জন্য গলা ফাটাতে কাতারে কাতারে সল্টলেক স্টেডিয়ামে ভিড় জমান লাল-হলুদ সমর্থকরা। কিন্তু তাঁদের দলের সুমিত পাসির আত্মঘাতী গোলেই হারতে হল ইস্টবেঙ্গলকে।
৭৮
ডুরান্ড কাপের ডার্বি ঘিরে টিকিটের হাহাকারের ছবিটা গত কয়েকদিন ধরেই দেখেছে শহর কলকাতা। এদিন কানায় কানায় ভরতি গ্যালারি দেখেই স্পষ্ট, যে এই ম্যাচ দেখার জন্য কতখানি মুখিয়ে ছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা।
৮৮
লিস্টন কোলাসোর কর্ণার থেকে এদিন আত্মঘাতী গোল করেন সুমিত। তাতেই চলতি ডুরান্ডে প্রথম জয় আসে মোহনবাগানের। এই নিয়ে টানা ছ'টি ডার্বি জিতল গঙ্গাপারের ক্লাব। ম্যাচ শেষে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন ফুটবলাররা।