স্বপ্ন হল সত্যি। করোনাকে উপেক্ষা করেই সাত পাকে বাঁধা পড়ে বান্ধবীকে জীবনসঙ্গী বানালেন রানা ডগ্গুবাতি।
২১০
করোনা আবহে মাস্ক পড়েই বিয়ে করতে পৌঁছেছিলেন বাহুবলীর বল্লালদেব রানা ডগ্গুবাতি। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সংক্রমণ এড়নোর জন্য সমস্তরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে অনুষ্ঠানে। যথাযথ সামাজিক দূরত্ব মেনেই চলছে বিয়ের যাবতীয় নিয়মকানুন। খুব ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন ছাড়া বিয়েতে আমন্ত্রিত নেই কেউই।
সূত্রের খবর, বিয়ের অনুষ্ঠানে যাঁরাই যোগ দিয়েছেন কিংবা দিচ্ছেন, প্রত্যেকেরই কোভিড টেস্ট করানো হয়েছে। সেই টেস্টে উত্তীর্ণ হয়েই রানা ডগ্গুবাতি, মিহিকা বাজাজের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার ছাড়পত্র মিলেছে।
৪১০
বিয়েতে আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রত্যেককে প্রথমে নিজেদের স্যানিটাইজ করতে হয়েছে। এছাড়াও, হ্যান্ড স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। মাস্ক পড়াও নাকি বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন বল্লালদেব রানা ডগ্গুবাতি।
৫১০
মেহেন্দি আর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে মিহিকা বাজাজদের জুবিলি হিলসের বাংলোতে। মাত্র ৩০ জনের উপস্থিতিতে অগ্নিকে সাক্ষী রেখে চিরজীবনের জন্য সাত পাকে বাঁধা পড়লেন রানা ডগ্গুবাতি এবং মিহিকা বাজাজ।
৫০০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির স্থাপনের শুভ সূচনা হল বুধবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত দিয়ে ভুমিপুজো করা হল রাম মন্দিরের।
২৮
মোট ন'টি ইট স্থাপন করা হয়। ভারত তথা গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রাম ভক্তরা ১৯৮৯ সালে এই ইট পাঠিয়েছিলেন। যার প্রত্যেকটিতে 'জয় শ্রী রাম' লেখা রয়েছে।
গোটা বিশ্ব থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ ইট এসেছে। তার মধ্যে ১০০টিতে 'জয় শ্রী রাম' লেখা রয়েছে। সেখান থেকেই ভিত্তিপ্রস্তত স্থাপনের জন্য ৯টিকে বেছে নেওয়া হয়। প্রথমে আটটি ইট স্থাপন করা হয়। সবশেষে কুর্ম চিহ্ন আঁকা ইটটি স্থাপিত হয়। এই কুর্ম ইটটির উপরই রামলালা বিরাজমান হবেন।
৪৮
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি হাজির হয়েছিলেন রামভক্তরাও। বেলা ১২টা ৪৪ মিনিট ৮ সেকেন্ডে ছিল ভূমিপুজোর শুভক্ষণ। শাস্ত্রমতে মাত্র ৩২ সেকেন্ডই স্থায়ী সব থেকে বেশি শুভ ‘চক্র সুদর্শন মুহূর্ত’৷
৫৮
এই বিশেষ দিন উপলক্ষে রামলালার জন্য দুটো আলাদা পোশাক তৈরি করা হয়। সবুজ ও কমলা। এই বিশেষ পোশাকে সোনালী সুতো দিয়ে ৯টি মূল্যবান মণি-রত্ন গাঁথা রয়েছে।