অভিনেত্রী প্রেমিকাকে ‘ধোঁকা’, লোকাল ট্রেনে প্রপোজ! জন্মদিনে ফিরে দেখা কপিলের লাভ লাইফ
কপিলের প্রথম প্রেমিকা কে চেনেন?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৭:১৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৭:১৫
১৯
ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর হাত ধরেই দেশের প্রথম বিশ্বজয়। দেশের ক্রিকেটকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তুলে আনার নেপথ্যেও তিনি। কপিলদেবের ক্রিকেটীয় সাফল্য সম্পর্কে হাজারো কথা লেখা যায়। কিংবদন্তির জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।
২৯
১৯৮০ সালে রোমি ভাটিয়াকে বিয়ে করেন কপিল। প্রায় ৪৫ বছর ধরে অটুট তাঁদের দাম্পত্য। কপিল রোমির এক সন্তানও রয়েছে। আসলে রোমি বরাবরই কপিলের পাশে থেকেছেন। তাঁর সাপোর্ট সিস্টেম হিসাবে কাজ করেছে।
তবে রোমির আগেও কপিলের একাধিক সম্পর্ক নিয়ে প্রচুর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। বলিউডের একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। তবে কপিলের প্রেমিকাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারিকা ঠাকুর।
৪৯
সাতের দশকের শেষের দিকে সারিকার সঙ্গে কপিলের প্রেম নিয়ে প্রচুর গুঞ্জন শোনা গিয়েছে। সেসময় নাকি বিশেষ রাখঢাক না করে প্রকাশ্যেই সারিকার সঙ্গে প্রেম করতেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক।
৫৯
এমনকী তাঁকে বিয়ে করার ব্যাপারেও মনস্থ করেছিলেন। অভিনেত্রীকে নিজের মা-বাবার সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দেন কপিল। কিন্তু তারপরই রাতারাতি তাঁদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। কেন? কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি কারও তরফেই। শোনা যায়, কপিল নাকি আর অভিনেত্রীকে বিয়ে করতে চাননি।
এরপরই তাঁর জীবনে চলে আসেন রোমি। ক্রমে কপিলের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে যান তিনি। তাঁদের মাঝে মাঝেই একসঙ্গে দেখা যেতে থাকে। ১৯৭৯ সালে কপিলের প্রথম সেঞ্চুরিরও সাক্ষী ছিলেন তিনি।
৭৯
এরপরই প্রেমিকাকে প্রপোজ করেন কপিল। তবে কোনও জাঁকজমক আয়োজনে নয়। কপিল প্রেমিকাকে প্রেমপ্রস্তাব দিয়েছিলেন লোকাল ট্রেনে। তাতে নাকি খুব খুশিও হন কপিল। এ হেন তারকা ক্রিকেটারের এই সরল মানসিকতা চমকে দেয় তাঁকে।
৮৯
১৯৮০ সালে রোমিকে বিয়ে করেন হরিয়ানা হ্যারিকেন। এক বছর পর তাঁদের এক সন্তানও হয়। এখনও এই দাম্পত্য অটুট।
৯৯
আসলে রোমি বরবারই কপিলের সাপোর্ট সিস্টেম। তিরাশির বিশ্বকাপেও কঠিন পরিস্থিতিতে কপিলের পাশে ছিলেন রোমি। এখনও রয়েছেন। আপাতত পারিবারিক ব্যবসা তিনিই সামলান।
হিমাঙ্কের নিচে শ্বেতশুভ্র সান্দাকফু! হাড়কাঁপানো দার্জিলিঙে তুষারপাতের আশায় পর্যটকরা
চলতি মরশুমে রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের!
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:৪১
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:৪১
১৮
চলতি মরশুমে রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ১১ ডিগ্রি। তারপর কয়েকদিনে সামান্য উর্ধ্বমুখী ছিল পারদ। মঙ্গলবার কলকাতার তাপমাত্রা নামল ১০ ডিগ্রির ঘরে। যা সর্বকালীন রেকর্ড। শুধু কলকাতা নয়, তাপমাত্রা নেমেছে দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও।
২৮
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে শীতলতম ছিল বীরভূম! হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ মঙ্গলবার বীরভূমের সিউড়ি এবং শ্রীনিকেতন উভয় জায়গাতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রীতিমতো উত্তরবঙ্গকে টেক্কা দিচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের এই জেলা।
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরের পাহাড়-সমতলেও এদিন শীতলতম দিন। শৈল শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মতো উঁচু পাহাড়ি এলাকার তাপমাত্রা ক্রমশ নামছে। সোমবার রাতে এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ হিমাঙ্কের নিচে চলে যায়। তারই জেরে তুষারপাতের জোরদার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
৪৮
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন হালকা বৃষ্টির সঙ্গে সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মতো উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হতে পারে৷ কনকনে ঠান্ডাতেও দার্জিলিং পাহাড়ে সেই প্রতীক্ষায় রয়েছে কয়েক হাজার পর্যটক।
৫৮
মঙ্গলবার সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে উত্তরের পাহাড়-সমতল। সেই সঙ্গে হিম শীতল উত্তুরে হাওয়ার ঝাপটায় স্বাভাবিক জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে। দার্জিলিং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমেছে। বেলা গড়ালেও কুয়াশা কাটেনি।
ঠান্ডা উপেক্ষা করেই দার্জিলিং শহরের ম্যাল থেকে চৌরাস্তা সর্বত্র ভিড়। পর্যটকদের অনেকেই ছুটেছেন ঘুম অথবা চটকপুরে! শুধু কুয়াশার মধ্যে পর্যটকদের অনেকেই ল্যান্ড রোভারে চেপে তুষারপাতের আগেভাগে সান্দাকফুতে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। চলছে ট্রেকিংও।
৭৮
একদিকে তুষারপাত, অন্যদিকে কনকনে ঠান্ডার মধ্যেই সান্দাকফুতে ট্রেকিং শুরু করেছেন ১০জনের একটি টিম। জানা গিয়েছে, দলের সদস্যরা অনেকেই কলকাতা থেকে গিয়েছেন। ফলে উৎসাহে কোনও খামতি নেই কারোর।
৮৮
তবে ঠান্ডা উপেক্ষা করে যেভাবে পর্যটকরা দার্জিলিংমুখী হচ্ছেন তাতে খুশি সেখানকার ব্যবসায়ীরা। রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু বলেন, "পর্যটন শিল্পের উপযোগী আবহাওয়া মিলেছে। পর্যটকের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। মরশুমে রেকর্ড ভিড়ের পথে দার্জিলিং পাহাড়।"
২০২৫ সাল ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের জন্য ভালোই কেটেছে। বিশেষ করে মহিলা ক্রিকেট টিম ও দৃষ্টিহীন মহিলা ক্রিকেট দল এবার বিশ্বকাপ জিতেছে। ২০২৪-এ রোহিত শর্মার নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই তিন দলের অধিনায়ককেই এক মঞ্চে নিয়ে এলেন নীতা আম্বানি।
২১১
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল 'ইউনাইটেড ইন ট্রায়াম্ফ'। মুম্বইয়ে আম্বানিদের বাসভবন অ্যান্টিলায় এই অনুষ্ঠানে তিন ভারতীয় দলকে সব ভারতীয়র পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান নীতা আম্বানি।
অনুষ্ঠানে ছিল চাঁদের হাট। পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সস্ত্রীক সূর্যকুমার যাদব, জশপ্রীত বুমরাহ, রোহিত শর্মারা। বান্ধবীকে নিয়ে আসেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। তরুণ ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়ালও ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।
৪১১
প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শচীন তেণ্ডুলকর। স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে হাজির হন তিনি। বিশ্বজয়ী কোচ রাহুল দ্রাবিড়ও ছিলেন। এছাড়া ছিলেন প্রাক্তন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা, অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকের ক্রীড়াবিদ মুরলীকান্ত পেটকার, দীপা মালিক, দেবেন্দ্র ঝাজাহারিয়া প্রমুখ।
৫১১
অনুষ্ঠানে নীতা আম্বানি বলেন, "আমরা নতুন বছর শুরু করছি একটি বিশেষ উৎসব দিয়ে। পুরুষ, মহিলা ও ভারতের দৃষ্টিহীন ক্রিকেট দল, সবাই এখানে একই ছাদের নীচে। সব ভারতীয়ের পক্ষ থেকে, আমরা আজ রাতে তাদের সম্মান জানাচ্ছি।"
তিনি আরও বলেন, "ভারতীয়দের হৃদয়ে খেলাধুলো আছে। তাঁদের জয় আজ আমাদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। সেই জয় সেলিব্রেট করার এই সুযোগ আমরা ছাড়তে চাই না। তাঁদের ধন্যবাদ আমাদের এত আনন্দ দেওয়ার জন্য। "
৭১১
ভারতীয় মহিলা দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর, দৃষ্টিহীন দলের অধিনায়ক দীপিকা টিসি ও পুরুষ দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে নীতা আম্বানির ছবি ইতিমধ্যে ভাইরাল।
৮১১
গত বছরের নভেম্বরে প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতে ভারতীয় মহিলা দল। সেই দলের সদস্য স্মৃতি মন্ধানা, রাধা যাদব, অরুন্ধতি রেড্ডি, জেমাইমা রডরিগেজ, হরলিন দেওলরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। শুধু মাঠে নয়, মহিলা দলের ক্রিকেটারদের লুকসেও মুগ্ধ ক্রিকেটভক্তরা।
৯১১
এর মধ্যে নজর কেড়েছে নীতা আম্বানির রূপসজ্জা। গোলাপি রংয়ের শাড়িতে সব আলো যেন তাঁর উপর পড়ছিল। আরও একটা বিষয় চোখে পড়েছে নেটিজেনদের। হিরে বসানো তিনি যে ঘড়িটা পরেছিলেন, তাঁর দাম প্রায় ৬ কোটি টাকা।
১০১১
শুধু ক্রিকেটাররা নয়, এই অনুষ্ঠান যেন ছিল খেলা আর বলিউডের মেলবন্ধন। যেখানে উপস্থিত হন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন। এছাড়া হাজির ছিলেন বিদ্যা বালন, জাহ্নবী কাপুর, বরুণ ধাওয়ান প্রমুখ।
১১১১
উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফাইনালে ৫২ রানে জেতে ভারতের মহিলা দল। অন্যদিকে নেপালকে হারিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ভারতের দৃষ্টিহীন মহিলা দল।