গ্রামের পর গ্রাম শ্মশান, ‘বাংলা বলায়’ খুন হাজার হাজার নিরীহ নাগরিক! চর্চায় ইন্দিরা জমানার ‘নৃশংসতম’ গণহত্যা
কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বেশ কয়েকটি গ্রাম। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল শ’য়ে শ’য়ে ঘরবাড়ি। তৎকালীন সময়ে স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল এটি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
আসলে আটেরর দশকে এই বাঙালিদের রাজ্যছাড়া করতে সার্বিকভাবেই অসমজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন। যার পোশাকি নাম 'বঙ্গাল খেদাও'। আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (AASU)। দাবি ছিল, এই বাঙালিদের অসমের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এই দাবিতে নির্বাচন বয়কট করে AASU। কিন্তু সেসব উপেক্ষা করেই মুসলিমদের ভোটাধিকার দেন ইন্দিরা গান্ধী
সেটারই ফলশ্রুতি ওই নেলি গণহত্যা। ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতের অন্ধকারে হামলা চালায় আততায়ীরা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়। কার্যত শ্মশানে পরিণত হয় একাধিক গ্রাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে নির্মম গণহত্যারও তকমা পেয়েছিল নেলি গণহত্যাকাণ্ড। দেশভাগ-পরবর্তী ভারতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যা হিসাবেও বিবেচিত হয় সেই ঘটনা।