বৃহস্পতিবার সন্ধেয় আকাশে আচমকাই রহস্যময় আলো! ডায়মন্ড হারবারে এই দৃশ্য দেখে প্রথমে চমকে যান পথচলতি মানুষজন। পরে সেই আলোর ছবি, ভিডিও তোলার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
২৬
বর্ধমান শহরেও সন্ধে নামতেই আকাশে আলোর ছটা। ২ থেকে ৩ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী ছিল আলো। খোলা জায়গা থেকে ছবি, ভিডিও তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন উৎসাহী মানুষজন।
বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে হঠাৎ আলোর আবির্ভাব রহস্যের কিনারা হল কিছুক্ষণের মধ্যেই। জানা গিয়েছে, ওড়িশা থেকে অগ্নি-৫ মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। তারই আলো দেখা গিয়েছে এখানে।
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা তারকারাও। এমন সুযোগ নাকি হাতছাড়া করতে চান না শাহরুখ খান। শোনা গিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচের প্রি-ম্যাচ কভারেজে নিজের কামব্যাক ছবি 'পাঠান'-এর প্রচার করবেন তিনি।
২৮
মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে জিতে ফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। মেসিদের জয়ের সাক্ষী ছিলেন করিশ্মা কাপুর।
সঞ্জয় কাপুরের ছেলে জাহান ও মেয়ে শানায়ার সঙ্গে ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন অনন্যা পাণ্ডেও। তবে মেসি নয় ইংল্যান্ডের ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যামকে দেখে বেশি উচ্ছ্বসিত ছিলেন তিনি।
৪৮
শুধু বলিউড তারকারাই নয়, ফুটবলের টানে কাতারে পৌঁছে গিয়েছিলেন টলিউডের সংগীত পরিচালক জয় সরকারও। লুসেইল স্টেডিয়ামের সেমিফাইনাল ম্যাচের সাক্ষী ছিলেন তিনিও।
৫৮
স্টেডিয়ামে জয় সরকারের পিছনেই বসেছিলেন বাংলার 'দিদি নম্বর ১' রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেসিদের জয়ে তিনিও উচ্ছ্বসিত।
নয় নয় করে ৯! একসঙ্গে নয় সন্তানের জন্ম দিয়ে ১৯ মাস পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন মা
একসঙ্গে সর্বাধিক সন্তানের জন্ম দিয়ে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন মালির এই তরুণী।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২২, ১৩:২৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২২, ১৩:২৯
১৮
একসঙ্গে নয় সন্তানের জন্ম দেওয়া! চিকিৎসাশাস্ত্রে বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে 'নোনুপ্লেট'। তবে এই বিষয়টি বইয়ের পাতাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। ২০২১ সালে সকলকে চমকে দিয়ে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন মালির এক তরুণী। একসঙ্গে নয়টি সন্তানের জন্ম দিলেন তিনি।
২৮
মালির তরুণী হালিমা সিসে। একসঙ্গে নয় সন্তানের জন্ম দিয়ে অনন্য নজির গড়েছেন তিনি। মাত্র ২৫ সপ্তাহের গর্ভাবস্থার পরেই হালিমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। হাসপাতালে দীর্ঘদিন ভরতি রাখার পরে ৩০ সপ্তাহের মাথায় তাঁর অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা।
মোট ৩৫ জন চিকিৎসক মিলে হালিমার অস্ত্রোপচার করেন। পাঁচটি কন্যা ও চারটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু অত্যধিক রক্তক্ষরণের ফলে তাঁর প্রাণ নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছিল। সদ্যোজাত শিশুদের ওজন ছিল ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির মধ্যে। তারাও বেঁচে থাকবে কিনা, সন্দেহ ছিল চিকিৎসকদের।
৪৮
জন্মের পর দীর্ঘদিন হাসপাতালের ইন কিউবেটরে রাখা হয়েছিল নয় খুদেকে। মালির বদলে মরক্কোর হাসপাতালেই তাদের চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেয় মালির প্রশাসন।
৫৮
১৯ মাস ধরে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয় নয় খুদেকে। যাবতীয় আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে সুস্থভাবেই বেড়ে উঠতে থাকে তারা। নয় খুদের বাবা আবদেলকাদের আরবি জানিয়েছেন, বহাল তবিয়তে বেড়ে উঠছে তারা। দিনে প্রায় একশোর বেশি ন্যাপি পালটাতে হিমশিম খাচ্ছেন সদ্য অভিভাবকরা।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে দেশের মাটিতে ফিরেছেন হালিমা। স্বামী ও নয় সন্তানকে নিয়ে ঘরে ফিরে বেজায় খুশি তিনি। একসঙ্গে নয় সন্তানকে স্বচক্ষে দেখতে উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন মালির সাধারণ মানুষ।
৭৮
বিশ্বে প্রথমবার একসঙ্গে নয় সন্তানের জন্ম দিলেন কোনও মহিলা। গিনেস বুকে তাঁর নাম উঠল। আগে সর্বোচ্চ আটজন সন্তানের জন্ম দেওয়ার রেকর্ড ছিল। ২০০৯ সালে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন নাদিয়া সুলেমান নামে এক মার্কিন মহিলা।
৮৮
এই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছে মালি প্রশাসন। দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিমিনাতোউ সাঙ্গারে বলেছেন, হালিমাকে নিয়ে তিনি গর্বিত। সুস্থ ভাবে বেড়ে উঠুক এই নয় সন্তান, এই প্রার্থনা চলছে নেট দুনিয়া জুড়ে।