রাজ্যের প্রত্যেকটি পর্যটনস্থলে জনজোয়ার। আট থেকে আশি ভিড় জমিয়েছেন প্রায় সকলেই।
৪৭
হাতে ক'দিনের ছুটি মানেই বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে দিঘা পাড়ি দেওয়া বাঙালির সংখ্যা নেহাত কম নয়। এবারও দিঘায় পাড়ি জমিয়েছেন বহু মানুষ। পর্যটকদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে।
৫৭
কেউ উপভোগ করছেন উথাল পাতাল সমুদ্র। আবার কেউ বা মজেছেন পিকনিকে।
পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় বড়দিনে দিঘায় পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কম। নতুন করে ফের চোখরাঙাচ্ছে করোনা। সেই আশঙ্কাতেই অনেকে দিঘা সফর বাতিল করেছেন বলেই মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
৭৭
বড়দিনে রঙিন দার্জিলিং ম্যালও। ভিড় জমিয়েছেন বহু পর্যটক।
প্রতি বছরের মতো এবারও ২৪ ডিসেম্বর রাতে চার্চে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থনায় তাঁর সঙ্গী ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৮
দুই হেভিওয়েট রাজনীতিবিদের সঙ্গী হয়েছিল অভিষেককন্যা আজানিয়াও। রাত ১০ টা নাগাদ চার্চে পৌঁছন তাঁরা। সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল।
অন্যান্যবার সেন্ট পলস ক্যাথিড্রালের ক্যারলে অংশ নিতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। গতবার থেকে অবশ্য সেই রীতি বদলেছেন তিনি। গত বছরের মতো এবারও বড়বাজারে ব্রেবোর্ন রোডের পর্তুগিজ গির্জা— ক্যাথিড্রাল অফ দ্য মোস্ট হোলি রোজারিতে যান মুখ্যমন্ত্রী।
৪৮
যীশুর মূর্তিতে ফুল দিয়ে, ফিতে কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অংশ নেন প্রার্থনাতেও।
৫৮
প্রার্থনা শেষে চার্চের ফাদারের কাছে আশীর্ব্বাদ নেন মুখ্যমন্ত্রী। বেশ কিছুক্ষণ তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতাও সারেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।