শরীরের ভাঁজে ক্যামেরার ফোকাস, জাহ্নবী যেন ‘পণ্য’! বিতর্কে ক্ষমাপ্রার্থী ‘পেড্ডি’র পরিচালক
‘পেড্ডি’ মুক্তির পর দর্শকের একাংশের অভিযোগ, জাহ্নবীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা দেখে লজ্জায় নিজেরাই চোখ ঢেকেছেন! চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিলেন পরিচালক?
'পেড্ডি' মুক্তির পর দর্শকের একাংশের অভিযোগ, জাহ্নবীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা দেখে লজ্জায় নিজেরাই চোখ ঢেকেছেন! প্রেক্ষাগৃহে এমন দৃশ্য প্রচণ্ড অস্বস্তিকর বলেই দাবি করা হচ্ছে। দর্শককে সিনেমার প্রতি আকৃষ্ট করতে পরিচালক মাত্রাতিরিক্ত 'অশ্লীলতা'কে প্রশ্রয় দিয়েছেন। জাহ্নবীও কেন এধরনের দৃশ্যে শট দিতে আপত্তি জানাননি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।
আরও পড়ুন:
জাহ্নবী কাপুরের সৌষ্ঠব কোমরের ঝলকানিকে ‘যৌনগন্ধী’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন সমজমাধ্যমের ‘নীতিপুলিশ’রা। তাঁদের মতে, নাচের ভঙ্গিমা অত্যন্ত অশালীন, নিম্নরুচির কোরিওগ্রাফ। এছাড়াও জাহ্নবী, শ্রতির শরীরী বিভঙ্গ অত্যন্ত আবেদনময়ী বলেও অভিযোগ তোলা হয়। ক্যামেরার লেন্সে নারীশরীরকে আপত্তিজনকভাবে উপস্থাপনের অভিযোগেও সরব হয়েছিল নেটভুবন। অহেতুক যৌনভঙ্গিমার দৃশ্য প্রদর্শিত করা হয়েছে! সিনেমা মুক্তিতে সেই জটিলতা দ্বিগুণ হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
বিতর্কের মুখে পরিচালক এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষমা চেয়ে নেন। পরিচালক লিখেছেন, 'কাউকে অস্বস্তিতে ফেলা বা অসম্মান করা কোনওটাই আমার উদ্দেশ্য নয়। সিনেমার লক্ষ্য হওয়া উচিত দর্শককে সম্পূর্ণ বিনোদন দেওয়া। ছবির সঙ্গে দর্শকের সংযোগ তৈরি করাই আসল উদ্দেশ্য। কিছু দৃশ্য নিয়ে প্রাপ্ত মতামত আমরা শুনেছি এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। রিল ও রিয়েল দুক্ষেত্রেই নারীদের প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা। তাই কোনও নারী চরিত্রকে পণ্য হিসেবে দেখানো...
তিনি আরও যোগ করেছেন, 'আমরা প্রত্যেকের অনুভূতিকে শ্রদ্ধা করি। যাঁদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। যে দৃশ্যগুলি নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে প্রয়োজনে সেই অংশগুলো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দর্শকের জন্যই ছবি তৈরি করা। তাঁরাই একমাত্র সিনেমার বিকাশ ঘটাতে পারেন। একজন পরিচালক হিসেবে পরিবর্তনশীল দৃষ্টিভঙ্গি ও সংবেদনশীলতার প্রতি সচেতন থাকা আমার দায়িত্ব।'