স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রেড রোডের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নগরপাল বিনীত গোয়েল। ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীও। ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানের জন্য কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল কলকাতার রাজপথকে।
২১০
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ রেড রোডে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। মাল্যদান করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে। পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।
এরপরই রাজ্যের একাধিক আইপিএস এবং আইএএস অফিসারকে বিশেষ সম্মান জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪১০
এরপর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে জমজমাট হয়ে ওঠে স্বাধীনতার উদযাপন। মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অফ অনার দেয় কলকাতা পুলিশ। অংশ নেয় মহিলা পুলিশ বাহিনীও। হেলিকপ্টার থেকে হয় পুষ্পবৃষ্টি।
৫১০
জাতীয় স্তরে প্রশংসিত ও সম্মানিত হয়েছে তৃণমূল সরকারের একাধিক প্রকল্প। এদিন রেড রোডে তেমনই নানা প্রকল্পকে তুলে ধরা হল সাধারণের সামনে।
লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড-সহ নানা প্রকল্প জায়গা করে নেয় এদিনের অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের বার্তাও দেওয়া হয় এই মঞ্চ থেকেই।
৭১০
বাংলার পুজোকে হেরিটেজ স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেসকো। তাই স্বাধীনতা দিবসে তুলে ধরা হল বাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজোর কথাও।
৮১০
বাংলার সংস্কৃতি বাউল গান থেকে পুরুলিয়ার ছৌ নাচের প্রদর্শনে রঙিন হয়ে ওঠে কলকাতার বৃষ্টিভেজা রেড রোড।
৯১০
মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকলেও অবশ্য এদিন রেড রোডে দেখা যায়নি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে। তাঁর সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করতে বিকেলে রাজভবন যান মুখ্যমন্ত্রী।
১০১০
পুলিশের বাইক বাহিনীর শক্তি প্রদর্শন ছিল এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।
রাত পোহালেই দেশজুড়ে পালিত হবে ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবস। ১৫ আগস্ট উপলক্ষে সেজে উঠেছে গোটা দেশ। একই ছবি ধরা পড়ল কলকাতাতেও। শহরের সর্বোচ্চ বহুতল 'দ্য ৪২'-ও সেজেছে তেরঙ্গায়।
৪৫
রাজভবনেও লেগেছে স্বাধীনতা দিবসের রং। মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতার রেড রোডে উদযাপন হবে স্বাধীনতা দিবস। উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৫৫
রূপ বদলে গিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টেরও। রবিবার থেকেই তেরঙ্গায় সেজে উঠেছে উচ্চ আদালত।