যে কোনও উৎসবের আগেই শপিংয়ের জন্য ধর্মতলা চত্বরে উপরে পড়ে ভিড়। শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকী ভিনরাজ্য থেকেও কেনাকাটা করতে নিউ মার্কেটে পৌঁছে যায় মানুষ। এবার পুজোর অনেক আগে থেকেই ধরা পড়ছে সেই ছবি।
করোনা অতিমারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এগোচ্ছে বাংলা। তাই পুজোও এবার যে চেনা ছন্দে ফিরবে, তেমনটাই আশা করা হচ্ছে। তাই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের আগে গড়িয়াহাট চত্বরও ফিরেছে চেনা ছন্দে।
৪১০
বৃষ্টি হোক বা রোদ, গরমের দাবদাহ হোক বা ভিড়ের ধাক্কাধাক্কি। নতুন পোশাক, গয়না, ব্যাগ, জুতো কেনার ক্ষেত্রে কোনও বাধাই মানছে না উৎসবপ্রেমী বাঙালি।
৫১০
হাতিবাগান বাজারে শপিং করার প্ল্যান রয়েছে? তাহলে চেষ্টা করুন শনি আর রবিবার বাদ দিয়ে যাওয়ার। কারণ সেদিন গেলে ভিড়ের চাপে হয়তো পছন্দের জিনিসটাই কেনা হবে না!
সস্তায় শাড়ি, লেহঙ্গা কিংবা বাড়ি-ঘর সাজানোর নানা সরঞ্জাম কিনতে বড় বাজারেও ভিড় জমাচ্ছে ক্রেতারা। বৃষ্টি না হলে সকালের দিকে ঢুঁ মারতে পারেন সেখানে। ভিড় তুলনামূলক কম পাবেন।
৭১০
কেনাকাটার ব্যস্ততার মতোই কুমোরটুলিতেও চলছে শেষবেলার প্রস্তুতি। বৃষ্টির মধ্যে কাজ শেষ করতে নাভিশ্বাস শিল্পীদের।
৮১০
পুজো আসছে, আর কুমোরটুলিতে ফটোশুট হবে না, তাই কি হয়? শুটিং দেখার ইচ্ছা হলে উইকেন্ডে চলে যান পটুয়াপাড়ায়। সঙ্গে অবশ্যই রাখবেন ক্য়ামেরা। মন ভাল করা কিছু ছবি ঠিক পেয়ে যাবেন।
৯১০
মণ্ডপে আসার আগেই মায়ের দর্শন হয় কুমোরটুলিতে। তবে তো মনে হয় পুজো আসছে। কীভাবে দিনরাত ভুলে কাজ করছেন শিল্পীরা, শপিংয়ের আগে দেখেই আসুন।
১০১০
এবার আরও আগে শুরু হয়ে যাবে পুজো। সুতরাং প্রতিমা আগেভাগে পৌঁছে দিতে হবে ক্লাবে ক্লাবে। অথচ আকাশের মুখ ভার। সবমিলিয়ে মৃৎশিল্পের আঁতুরঘরে ব্যস্ততা তুঙ্গে।
মহিলা সাজানো হয়েছে অনিল কাপুরকেও। তিনি হয়তো নিজের এই রূপ দেখে বলেই বসতেন, 'ঝাক্কাস...'
১০১১
হৃতিক রোশনের বাবা রাকেশ রোশন এক সময়ে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। নায়কের বদলে নায়িকা হলে তাঁকেও মন্দ লাগত না।
১১১১
বলিউডের 'হাল্ক' জন আব্রাহামের ছবিও পালটে ফেলা হয়েছে। ছবিগুলি কে বা কারা তৈরি করেছেন তা জানা যায়নি। তবে ফিরোজ দাদাচাঞ্জি নামের এক ব্যক্তি ইন্ডিয়ান সিনেমা লাভার্স গ্রুপকে ট্যাগ করে এই ছবিগুলোকে শেয়ার করেছেন।
বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিধসের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। জলে তলিয়ে যাচ্ছে বাড়ি-ঘর, সাধারণের সংসার। গাছের অপ্রতুলতার এর প্রাথমিক কারণ। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্লাস্টিকের ব্যবহার। সমীক্ষা বলছে, এমনটা হলে ২০৫০ সালের মধ্যে হয়তো সামুদ্রিক প্রাণীর চেয়ে বেশি পরিমাণে ভাসতে দেখা যাবে প্লাস্টিক।
৪৬
প্রলয় রুখতে এখনই সচেতন হতে হবে সকলকে। এবার এই বার্তাই দেবে পূর্বাচল শক্তি সংঘের পুজো।
৫৬
এই মণ্ডপে প্লাস্টিকই হয়ে উঠবে অসুর। এখানে পৃথিবীর প্রতীকী হয়ে উঠেছে বৃহদাকার কচ্ছপ। দেবী দুর্গাই যেন গাছের রূপ ধারণ করে এই পৃথিবীরূপী কচ্ছপটিকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।
প্লাস্টিক, কাপড়ের দড়ি, মাছ ধরার জাল, জং ধরা লোহা ইত্যাদি উপকরণ দিয়েই সাজছে মণ্ডপ। মণ্ডপের আলোক শিল্পী প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী। খোকন অ্যান্ড কোম্পানি তৈরি করছে থিম মিউজিক।