ব্যাটিং না পাওয়ায় বল হাতেই ৪৬ রান! নেটভুবনে চূড়ান্ত ট্রোলড শিবম, কটাক্ষ করছেন প্রাক্তনরাও
শিবমের বোলিং দেখে চক্ষু চড়কগাছ প্রাক্তনদের। কী বলছেন তাঁরা?
আরও পড়ুন:
তাঁকে দিয়ে বোলিং করানোর বুদ্ধিটা ঠিক কার, সেটা কে জানে! প্রথম ওভারে ২৬ রান দিলেন। সেটা দেখার পরও শেষ ওভারে ফের দুবেকে নিয়ে আসা হল। এবার দিলেন কুড়ি রান! প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে বলছেন, "শেষ তিন ম্যাচে ৭ ওভারে ১১৩ রান দিয়েছে দুবে। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে দিল ২ ওভারে ৪৬। আগের ম্যাচে ২ ওভারে ৩২। তার আগের ম্যাচে ৩ ওভারে ৩৫। সমস্যা হল...
আরও পড়ুন:
তাঁর কথায়, "ব্যাট হাতে যে নিয়মিত রান করবে। বল হাতেও মাঝেমাঝে উইকেট পাবে। আমরা এমন অলরাউন্ডার চাই। ঘণ্টায় যে ১২০ কিমি গতিতে বল করে, এমন অলরাউন্ডার আমাদের প্রয়োজন নেই।" আকাশ চোপড়া এবং মহম্মদ কাইফ নন, দুবের বোলিং নিয়ে সুর চড়িয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার মাইকেল ভনও। তাঁর মতে, দুবেকে কোনওভাবেই ষষ্ঠ বোলার হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে না ভারত।
দশম ওভারে ১০ বলে ওভার শেষ করেছেন শিবম দুবে। দিয়েছেন ২৬ রান। এরমধ্যে তিনটি ওয়াইড একটা নো বল। ২, ৬, ৪, ৪, ওয়াইড, ০, নো বল, ওয়াইড, ওয়াইড, ৬। এর মধ্যে আবার তাঁর একটি বল উইকেটের বাইরে পিচ করে। যা নিয়ে নেটিজেনদের অনেকেই তাঁকে কটাক্ষ করে বলছেন, 'এর চেয়ে তো আমরা অনেক ভালো বল করতাম। আন্তর্জাতিক স্তরে এমন বোলিং ভাবা যায় না।'
কেউ লিখছেন, পিচের বাইরে এমন বোলিং হাস্যকর। আমার মনে পড়ছে না কাউকে এমন বল করতে দেখেছি কিনা!' আরেক নেটিজেন দশম ওভারের পরিসংখ্যান তুলে ধরে লিখছেন, 'ব্যাটিং না পাওয়ার হতাশা এভাবেই মেটালেন দুবে।' কেউ বলছেন, 'যেখানে স্কোর বোর্ডে ২৫৬ রান। বিপক্ষ দলের নাম যেখানে জিম্বাবোয়ে। সেখানে ১০০ উপর রানে জিতবে না ভারত? নাহ, শিবম থাকলে সেটা সম্ভব নয়।'
কেউ লিখছেন, 'আরেকটু হলে যুবরাজের দ্রুততম ৫০ রানের রেকর্ড ভেঙে দিত দুবে।' উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন যুবরাজ সিং। ওই নেটিজেন বলতে চেয়েছেন, আরেকটু হলেই দু'ওভারে ৫০ রান দিতেন দুবে।' তবে কেবল দুবের বোলিং নয়, গোটা দলের বোলিংও আহামরি নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে শুরুতে তিনটে উইকেট তুলে নিয়েও লাভ হয়নি। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডসের মতো টিম ১৭০ রান তুলেছে। জিম্বাবোয়েও...