২৫ বছর পর দেশের মাটিতে চুনকাম থেকে ৬০০-র বেশি রান হজম, গম্ভীর-আগরকর জমানায় লজ্জার সাতকাহন
গম্ভীরের আমলে ‘ব্যথাদাগ’ লেগেছে ভারতীয় ক্রিকেটে।
গুরু গম্ভীর জমানার প্রথম ওয়ানডে সিরিজের কথাই ধরা যাক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সেই সিরিজে লজ্জাজনক পারফরম্যান্স করে টিম ইন্ডিয়া। তিন ম্যাচের সিরিজে একটাও ম্যাচ জিততে পারেনি ভারত। প্রথম ম্যাচ কোনওমতে টাই হওয়ার পরে টানা দুই ম্যাচে হেরে বসে গম্ভীর বাহিনী। ২-০ ফলে সিরিজ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা। গত ২৭ বছরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ হারেনি ভারত। কিন্তু গৌতম গম্ভীর কোচিংয়ের শুরুতেই সেই রেকর্ড ভেঙে যায়।
আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুই টেস্টে হার স্বীকার করে গম্ভীরের ভারত। ইডেন এবং গুয়াহাটি টেস্ট হেরে যায় টিম ইন্ডিয়া। ইডেনে আড়াই দিনে আত্মসমর্পণের পর প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের শেষ ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। টানা ৯ ম্যাচ জেতার পর ৮ বছর পর কলকাতায় হারে ভারত। ইডেনে ১২৪ রান করতে পারেনি ভারত। এটাই দেশের মাটিতে সবচেয়ে কম লক্ষ্য তাড়া করতে...
আরও পড়ুন:
২০২৪-এ নিউজিল্যান্ড, ২০২৫-এ দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ত যায় ভারতের দেশের মাটিতে টেস্ট আধিপত্যের গর্ব। ২৫ বছর পর ভারতের মাটিতে ভারতকেই হোয়াইটওয়াশ করে টেম্বা বাভুমার দল। আরও একটা তথ্য হল ঘরের মাটিতে প্রথমবারের মতো ২০০-র কম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হার স্বীকার করে ভারত। তাছাড়াও ভারতের মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা।
গম্ভীর-আগরকরের আমলে একে একে লাল বলের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, চেতেশ্বর পূজারা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো ক্রিকেটাররা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, 'অন্দরমহলে'র চাপেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। তবে এখনও ওয়ানডে খেলছেন রো-কো। বাকি দু'জন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মহম্মদ শামির মতো বোলারের কেরিয়ার শেষের পথে। অনেকে মনে করেন আরও সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল বাংলার পেসারের। যেটা গম্ভীর জমানায় হচ্ছে না। ঘরোয়া ক্রিকেটে অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও অজানা কোনও কারণে জাতীয় নির্বাচকদের মন ভরাতে পারেননি তিনি। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা বাংলার পেসার আগরকরদের কাছে ‘ব্রাত্য’ই রয়ে গিয়েছেন।