Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
পুজো

বোধনের অপেক্ষায় বঙ্গ, মেলবোর্নে দুর্গার আবাহনে মাতোয়ারা প্রবাসীরা

শুক্র, শনি ও রবিবার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হয় পুজো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯, ১২:৩৪

options
link
বোধনের অপেক্ষায় বঙ্গ, মেলবোর্নে দুর্গার আবাহনে  মাতোয়ারা প্রবাসীরা zoom

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উতসবের আনন্দ সাত সমুদ্র তেরো নদীর পাড়েও। দেবী আরাধনার আয়োজন মেলবোর্নের প্রবাসীদেরও। তা নিয়ে সংবাদ প্রতিদিন. ইনের জন্য কলম ধরলেন পুলক বসু।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও মেলবোর্নের বেঙ্গলি সোসাইটি উদ্যোগী হয়েছে দুর্গাপুজোয়। তবে অন্যান্য বছর যেরকম হয় এবছরও তেমনই কাজের মানুষদের সুবিধা বুঝে, সপ্তাহের শেষের দু’দিনে। তবে ভারতে যাঁরা সাধারণ তিথি নিয়ম মেনে পুজো করেন, তাঁদের থেকে কয়েকদিন আগেই এবার আমরা পুজো সেরে নিচ্ছি। আসলে প্রতিবছরই উইকএন্ডেই পুজো হয়ে থাকে। এবার পুজোর দিন যে রকম পড়েছে তাতে সকলের সুবিধা বুঝতে গিয়ে এক সপ্তাহ আগেই আমরা সেরে ফেলছি দুর্গাপুজো। সারাবছর বেঙ্গলি সোসাইটি অফ মেলবোর্ন নানারকম উৎসবে আর কার্যকলাপে জড়িয়ে থাকলেও বছরের সেরা ইভেন্ট কিন্তু দুর্গাপুজোটাই। তাই সকলের উৎসাহ থাকে সবচেয়ে বেশি এই দুর্গাপুজো ঘিরে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কমরেডের হাতে জ্বলল প্রদীপ, দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে বিতর্কে সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য]

মহালয়ার বেশ কিছু দিন আগে থেকেই আমাদের মিটিং সারা হয়ে যায়। ঠাকুর আসে কিন্তু কলকাতা থেকেই। এবারের পুজো হল গত শুক্র-শনি আর রবিবারে। শুক্রবার পুজোর উদ্বোধন। শনিবার হয় সপ্তমী আর অষ্টমী পুজো, রবিবার হল নবমী আর দশমী পুজো প্রতিদিনই ছিল নানা রকমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-সঙ্গী ছিল খাওয়া-দাওয়ার ঢালাও ব্যবস্থা। প্রতি বছরের মতোই যাঁরা এই বেঙ্গলি সোসাইটির সদস্য তাঁদের আলাদা করে খাওয়ার জন্য কোন টাকা দিতে হয়নি কিন্তু বাইরে থেকে আসা অতিথিরাও ফুড কুপন কেটে ভোজে পাত পেড়ে বসে গিয়েছিলেন। এবার তার সঙ্গে ছিল নানা রকমের মজাদার ডিসকাউন্ট।

পুজোয় সকলেই সারাদিন সময় কাটান এই পুজো প্যান্ডেলে। এবছর আমাদের পুজো হয়েছে উডভিলে প্রাইমারি স্কুলে। পুজোর ভেনু অবশ্য এক এক বছর এক এক জায়গায় বেছে নিই। বাংলার মতো প্যান্ডেল করার সুযোগ থাকে না বটে, কিন্তু স্কুল কিংবা অন্য কোনও ভবনকে আমরা সাজাই মনের মতো করে। তবে বেঙ্গলি সোসাইটির পুজো এই সপ্তাহে হয়ে গেল মানে এটা নয় যে গোটা মেলবোর্নে যে কটি বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে তাদের সকলের পুজো এই সপ্তাহেই মিটে গেল। আগামী শনি ও রবিবারের জন্য রাখা রয়েছে কয়েকটি পুজো। আসলে এখানে সমস্যা পুজো করার জন্য উপযুক্ত জায়গা পাওয়ার। এক সপ্তাহে সব জায়গায় পুজো হলে মনের মতো হল বা স্কুল পাওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমরা নিজেদের সুবিধা মতো দুটো সপ্তাহে ভাগ করে নিয়েছি পুজোর দিন। এবছর তাই আমাদের ডাবল মজা। এ সপ্তাহের বেঙ্গলি সোসাইটির পুজোয় যারা অংশ নিলাম আগামী সপ্তাহের শেষে তারাই হয়তো অতিথি হয়ে অন্য কোনও অ্যাসোসিয়েশনে পুজোর আনন্দ উপভোগ করব।

[আরও পড়ুন: বেনজির উদ্যোগ, পুজোয় পথশিশুদের নতুন জামা উপহার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.