১ কার্তিক  ১৪২৬  শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ কার্তিক  ১৪২৬  শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

পুজো প্রায় এসেই গেল৷ পাড়ায় পাড়ায় পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে৷ সেরা পুজোর লড়াইয়ে এ বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়৷ এমনই কিছু বাছাই করা সেরা পুজোর প্রস্তুতির সুলুকসন্ধান নিয়ে হাজির sangbadpratidin.in৷ আজ পড়ুন টালা বারোয়ারির পুজো প্রস্তুতি৷

সুলয়া সিংহ: ৯৯তম বছরে সোনায় মুড়ে দেওয়া হচ্ছে টালা বারোয়ারিকে। না, চোখের সামনে যে সোনার ছবিটা ভেসে উঠল, বিষয়টা ঠিক তেমন নয়। ‘আমার সোনার বাংলা’র মধ্যেও তো সোনা রয়েছে। এখানেও বিষয়টা অনেকটা তেমনই। এ পুজোর মূল আকর্ষণ সোনার ঘাস। শিল্পী সঞ্জীব সাহার হাতের ছোঁয়ায় সেই ঘাসই বদলে অনন্য রূপ ধারণ করেছে। এবারের থিমের পোশাকি নাম “সোনায় মোড়া ৯৯”।

[আরও পড়ুন: ধুঁধুলের কেরামতিতেই অনন্য মণ্ডপ, চোরবাগানের থিম মন কাড়বে দর্শনার্থীদের]

tala

এই গোল্ডেন গ্রাস বা সোনার ঘাস মূলত বিশ্বের তিনটি জায়গা পাওয়া যায়। ব্রাজিলের আমাজনে, আফ্রিকায় এবং ভারতে। এদেশে কেবলমাত্র ওড়িশা আর বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামেই এই ঘাসের সন্ধান মেলে। জায়গা বদলালে বদলে যায় ঘাসের নামও। বাংলায় যেমন একে বলে বাবুই ঘাস। ওড়িশাতে আবার এর নাম সবাই। গ্রামের সেই আবহকে তুলে ধরতেই শহরের ক্যাকোফনির মাঝে মণ্ডপের মধ্যে গ্রাম্য পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন শিল্পী। সেই পরিবেশেই রঙিন ঘাসের কারুকার্য দিয়ে প্রাণ পেয়েছে মণ্ডপ। কোথাও এই সোনার ঘাস ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে ফুল-পাতা তো কোথাও বুননের মাধ্যমে সোনার ঘাস রূপ পেয়েছে ময়ূরের। শিল্পীর কথায়, “মণ্ডপসজ্জায় অনেক সময়ই অনেক দামী উপকরণ ব্যবহার করা হয়। আমিও করেছি। কিন্তু তাতে পুজো কমিটির আর্থিক সংকটে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। এই উপাদানে মণ্ডপ যেমন সুন্দর হয়ে উঠবে। তেমনই খরচও অনেকটাই কম হবে।”

tala

থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই উত্তরের ঐতিহ্যশালী এই পুজোর প্রতিমা তৈরি করছেন শিল্পী সৌমেন পাল। মায়ের পোশাকে এবং গয়নাতেও থাকবে গোল্ডেন গ্রাসের ছোঁয়া। সবমিলিয়ে সোনার ঘাসের সৌন্দর্য দেখতে দেখতে খানিকক্ষণের জন্য হারিয়ে যাওয়া যাবে গ্রাম বাংলার পরিবেশে। মাটির কাছাকাছি পৌঁছে যাবেন দর্শনার্থীদের। আর এই পরিবেশই এবার উত্তরের উত্তর দেবে বলে আশাবাদী পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য অভিষেক ভট্টাচার্য। তবে এর আগেও পুজোয় সোনার ঘাসের ব্যবহার দেখেছে শহর। বছর কয়েক আগে লেকটাউন নেতাজি স্পোর্টিং ক্লাবে শিল্পী অনির্বাণ দাস মধুবনী থিমের কাজ করেছিলেন। সেবারই আংশিকভাবে এই ঘাস ব্যবহার করেছিলেন তিনি। তবে টালা বারোয়ারি এ শিল্পকে অন্যভাবে তুলে ধরতে চলেছে। অতীতে অমর সরকার, সুব্রত বন্দোপাধ্যায়ের মতো নামী শিল্পীদের হাত ধরে বহু পুরস্কার ঘরে তুলেছে এই পুজো। এবারও সঞ্জীব সাহার সৃজন মন কাড়বে পুজোপ্রেমীদের। আশা টালা বারোয়ারির।

[আরও পড়ুন: বাসচালক প্রতিমাই এবার ‘দুর্গা’ উত্তর কলকাতার এই পুজোয়]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং