‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে…’। প্রত্যেক মায়ের মনে সবসময় একথাই ঘুরতে থাকে। সন্তানের মঙ্গলে মায়েরা কত কিছুই না করেন। চৈত্র মাসে নিয়ম মেনে নীলষষ্ঠীও করেন বহু মহিলা। শিবমন্দিরগুলিতে ভিড় জমান অগণিত মহিলা। সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তিতে নীলপুজো করেন মহিলারা। চলতি বছর ১৩ এপ্রিল নীলষষ্ঠীর ব্রত পালন।
কথিত আছে, দক্ষযজ্ঞে সতীর দেহত্যাগের পর নীলধ্বজ রাজার বিল্ববনে আবির্ভূত হন। নিজের মেয়ের মতো করে তাকে লালন পালন করেন। শিবের সঙ্গে পুনরায় তাঁকে বিয়ে দেন। বাসর ঘরে তাঁর মৃত্যু হয়। তা দেখে শোকস্তব্ধ হয়ে যান রাজা ও রানি। ওইদিনটিতে নীলপুজো হয়। আরেকটি লোকমতে, এক ব্রাহ্মণ ও ব্রাহ্মণী ছিলেন। তাঁদের সন্তান অকালেই প্রাণ হারাত। মনের দুঃখে কাশীর গঙ্গাঘাটে কান্নাকাটি করছিলেন তাঁরা। সেই সময় মা ষষ্ঠী ব্রাহ্মণী রূপে দেখা দেন। তাঁর কথামতো চৈত্র মাসের সংক্রান্তিতে নীলষষ্ঠীর ব্রত পালন করেন। তারপর থেকে তাঁদের সন্তানদের আর কোনও অঘটন ঘটেনি। সেই অনুযায়ী নীলষষ্ঠীর প্রচলন বলে মনে করেন কেউ কেউ।
আরও পড়ুন:
একনজরে দেখে নিন নীলষষ্ঠীর পুজোয় কী কী ব্যবহার করা উচিত নয়:
- নীলষষ্ঠীর পুজো দেওয়ার সময় কালো পোশাক পরবেন না।
- শিবপুজোয় বেলপাতা প্রয়োজন। তা বলে ছেঁড়া কিংবা পোকা লাগা পাতা পুজোয় ব্যবহার করবেন না।
- তুলসিপাতাও শিবপুজোয় ব্যবহার করবেন না।
- কদম, কেতকী শিবপুজোয় ব্যবহার করবেন না।
- ভাঙা চাল শিবপুজোয় ভুলেও অর্পণ করবেন না।
- শিবপুজোয় নারকেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে নারকেল জল শিবের মাথায় ঢালবেন না।
সাধারণত যাঁরা এই ব্রত পালন করে তাঁরা দিনভর উপোস করেন। সন্ধ্যায় শিবের মাথায় জল ঢালেন। উপাচার হিসাবে অবশ্যই বেলপাতা, ফুল, ফল এবং মোমবাতি থাকা বাঞ্ছনীয়। পুজোর পর ভেজানো সাবু খান অনেকে। সঙ্গে ফল, দই-ও থাকে। আবার কেউ কেউ লুচি, পরোটাও খান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এনআরএসে বিড়াল সন্ত্রাস!
-
সর্বদল বৈঠকের আগেই মোদি সাক্ষাতে সুদীপ, বাংলার উন্নয়নে হাতে হাত মিলিয়ে কাজের বার্তা
-
রবিবারই কি মেসির শেষ ম্যাচ? রহস্যময় জবাব স্কালোনির, চাপমুক্ত থাকার বার্তা মেসির
-
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ৫০০০ রোগী, বেড ১৯০০!
-
কয়লা খনিতে ‘ম্যানমেড’ বিস্ফোরণ! আসানসোলে ভয়াবহ ধস, পুনর্বাসনের দাবিতে অবরোধ