শনির কুনজর থেকে বাঁচতে চান? এই অভ্যাসগুলি রপ্ত করলেই কেল্লাফতে
জেনে নিন কী কী নিয়ম মানা জরুরি।
শনির কুপ্রভাব থেকে রক্ষা পেতে প্রথমেই নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত। তা বলে রোজ শুধু স্নান করলেই হল না। কিংবা শুদ্ধ বস্ত্র পরে ফেললেই চলবে না। শনির কুপ্রভাব থেকে বাঁচতে চাইলে আপনার নখের কোণায় কোণায় নোংরা জমে রয়েছে কিনা, সেদিকেও নজর দিন। কারণ, নখ পরিষ্কার না থাকলে আপনি কখনই শনিদেবের কুনজর থেকে বাঁচতে পারবেন না।
আরও পড়ুন:
শনির কুপ্রভাব থেকে রক্ষা পেতে প্রথমেই নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত। তা বলে রোজ শুধু স্নান করলেই হল না। কিংবা শুদ্ধ বস্ত্র পরে ফেললেই চলবে না। শনির কুপ্রভাব থেকে বাঁচতে চাইলে আপনার নখের কোণায় কোণায় নোংরা জমে রয়েছে কিনা, সেদিকেও নজর দিন। কারণ, নখ পরিষ্কার না থাকলে আপনি কখনই শনিদেবের কুনজর থেকে বাঁচতে পারবেন না।
আরও পড়ুন:
জীবে সেবা করে যে-ই জন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর। শ্রীরামকৃষ্ণের বাণী মেনে এই কাজকে অভ্যাসে পরিণত করুন। তাতে শনিদেবের আশীর্বাদ পেতে পারেন আপনি। তাই রাস্তায় থাকা চারপেয়েদের পারলে খাবার খেতে দিন। শনিবার তো বটেই, সপ্তাহের অন্যান্য দিনেও আপনার সাধ্যমতো খাবার খেতে দিন। তাতেই কাটবে শনির দশা। নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন আপনি।
রাস্তাঘাটে বেরলে নিজেকে নিয়ে ছাড়া আর কারও দিকেই নজর দেন না অনেকে। শনির কুনজর থেকে বাঁচতে চাইলে অবশ্য চারিদিকে নজর রেখে পথ চলতে হবে। রাস্তাঘাটে কেউ কোনও বিপদে পড়লে তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। বিশেষত শনিদেবের কুনজর থেকে বাঁচতে আপনাকে অবশ্যই দৃষ্টিহীনদের পাশে দাঁড়াতে হবে। প্রয়োজনে হাত ধরে রাস্তা পারাপারের বন্দোবস্ত করে দিতে হবে।
শনিদেবের কুনজর থেকে রক্ষা করতে পারে সাতমুখী রুদ্রাক্ষ। শনির 'সাড়ে সাতি' বা ধাইয়ার অশুভ প্রভাব কাটাতে এই রুদ্রাক্ষ অত্যন্ত কার্যকর। এটি মূলত দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। বলা হয় এটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ নিরাময়ে এবং শরীরে ইতিবাচক শক্তি সঞ্চারে সাহায্য করে। তাই চাইলে সাতমুখী রুদ্রাক্ষ আপনি ধারণ করতে পারেন।