সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেতে বড্ড ভালবাসেন গজানন৷ প্রিয় খাবার ‘মোদক’৷ তাই শুক্লা চতুর্থীতে যখন ধরাধামে আসেন, ভক্তরা ‘মোদক’ অর্পণ করেই বিঘ্ননাশের আবেদন জানান বিনায়কের কাছে৷ এবারও করোনার (Coronavirus) বিধিনিষেধ মেনে গণেশ চতুর্থীর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত।
তবে ভক্তির সব রূপ অবশ্য এক নয়৷ বিশেষ করে ভারতবর্ষে তো একেবারেই নয়৷ সারা দেশে যেখানে মিষ্টি-মোদকে গণপতিকে স্বাগত জানানো হয়৷ কর্ণাটকের কোপ্পাল জেলার ভাগ্যনগর গ্রামে দেবতার পুজো করা হয় মদ-মাংস সহযোগে৷ আজ্ঞে হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন৷ বহু বছর ধরে এই প্রথা পালন করে আসছেন দাক্ষিণাত্যের এই ছোট্ট গ্রামের ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়ের মানুষরা৷
[আরও পড়ুন: গণপতি বাপ্পার আরাধনার আগে জেনে নিন মাহাত্ম্য]

কী কারণে শুরু হয়েছিল এই প্রথা? কে-ই বা শুরু করেছিলেন এই অদ্ভুত ঐতিহ্য? এই প্রশ্নগুলির সঠিক উত্তর আজও কারও কাছে নেই৷ অনেকেই অনেক রকম কারণ ব্যাখ্যা করেন। তবে মূলত ধন-সমৃদ্ধি লাভের জন্যই পূর্বপুরুষদের এই প্রথাকে আজও মেনে চলেছে ভাগ্যনগর গ্রামের প্রায় ১০০টি ক্ষত্রিয় পরিবার৷
শুধুমাত্র এই ক’টি বাড়ির পুজোতেই আমিষ ভোজন করানো হয় পার্বতীনন্দনকে৷ বারোয়ারি পুজোতে এই নিয়মের চল নেই৷ গণেশ চতুর্থীর (Ganesh Chaturthi) তৃতীয় দিন থেকে নিবেদন করা হয় আমিষ ভোজন৷ প্রতিদিন খাদ্যের তালিকায় ঠাঁই পায় আলাদা ধরনের মাংস৷ সঙ্গে অবশ্যই থাকে মদ৷ ভগবানের গায়ে নাকি একটু কারণসুধা ছিঁটিয়েও দেওয়া হয়৷ যদিও এবার করোনা আবহে কীভাবে পুজো আয়োজিত হতে চলেছে, তা এখনও জানা যায়নি।
[আরও পড়ুন: গণেশ চতুর্থীর আগে রাজ্যে পরপর দু’দিন লকডাউন, পুজোর সামগ্রী জোগাড়ে চিন্তায় উদ্যোক্তারা]
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ