Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Buddha Purnima

বৃহস্পতিবার বুদ্ধপূর্ণিমা, গৌতম বুদ্ধের আরাধনায় কী ফল পাবেন? পুজোর নিয়মই বা কী?

হিন্দুরা গৌতমদেবকে বিষ্ণুর নবম অবতার হিসাবে মানেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৪, ১০:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৪, ১০:০৩

options
link
বৃহস্পতিবার বুদ্ধপূর্ণিমা, গৌতম বুদ্ধের আরাধনায় কী ফল পাবেন? পুজোর নিয়মই বা কী? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫৬৩ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে নেপালের লুম্বিনীর বিখ্যাত বাগানে জন্মগ্রহণ করেন গৌতম বুদ্ধ। জানা যায় সেই দিন ছিল বৈশাখী পূর্ণিমা। শুধু তাই নয়, এই বৈশাখী পূর্ণিমার দিনই বোধি বা সিদ্ধিলাভ করেছিলেন বুদ্ধদেব। তাঁর জন্ম তিথি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রতম উত্‍সব। শুধু বৌদ্ধ নয়, হিন্দুদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। হিন্দুরা গৌতমদেবকে বিষ্ণুর নবম অবতার হিসাবে মানেন।

বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গৌতম বুদ্ধ। এই উত্‍সব সারা দেশজুড়েই পালিত হয়। ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানে ধুমধাম করে পালন করা হয় এই পূর্ণিমা। এই দিনে হিন্দুরা বাড়িতে লক্ষ্মী-নারায়ণ পুজোও করে থাকেন। এবার কবে এই বৌদ্ধ পূর্ণিমা? শুভ সময় কখন? পুজোর নিয়ম কী ? 

Advertisement

[আরও পড়ুন: সামনেই নৃসিংহ চতুর্দশী, জানুন, বিষ্ণুর চতুর্থ অবতারের পুজোয় কী কী ফল পাবেন]

বুদ্ধ পূর্ণিমা কবে?
বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha Purnima) পালন করা হয়। বৈশাখ মাসের কথা বলা হলেও এবার পূর্ণিমা পড়েছে জৈষ্ঠ্য মাসে। পঞ্জিকা অনুসারে, এবারে পূর্ণিমা শুরু হবে ২২ মে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে। পূর্ণিমা ছেড়ে যাবে ২৩ মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে। দুই দিন পূর্ণিমা থাকায় বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হবে ২৩ মে।

বুদ্ধ পূর্ণিমা পুজোর নিয়ম

গৌতম বুদ্ধের আরাধনাকে পুজো বলা হলেও অন্য দেবদেবীর মতো খুব একটা শাস্ত্রীয় নিময় নেই। বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনে খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। পুজোর অন্যতম শর্ত, বাড়ির প্রতিটি জায়গা পরিষ্কার করে সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে হবে। বাড়িতে ঢোকার গেটে হলুদ, লাল সিঁদুর বা রং ব্যবহার করে স্বস্তিকা চিহ্ন আঁকা উচিত।

পূর্ণিমার দিন গঙ্গাস্নানকে শুভ বলে মানা হয়। এর পর বোধি গাছের কাছে দুধ ঢেলে বুদ্ধদেবকে স্মরণ করে পুজো হয়। দানকর্মেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এদিন। গরিবদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করলে শুভ ফল পাওয়া য়ায় বলেই মনে করেন বৌদ্ধরা।

[আরও পড়ুন: অক্ষয় তৃতীয়ায় বৈভব-লক্ষ্মী কেন পুজো করা হয়! জেনে নিন এর নেপথ্যের গল্প]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.