Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
তিমি

দূষণে বিপন্ন পৃথিবী! মৃত তিমির পেট থেকে উদ্ধার ১০০ কেজি প্লাস্টিক

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব পরিবেশপ্রেমীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৯, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৯, ২১:৩৫

options
link
দূষণে বিপন্ন পৃথিবী! মৃত তিমির পেট থেকে উদ্ধার ১০০ কেজি প্লাস্টিক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের পরিবেশ দূষণের বলি তিমি। স্কটল্যান্ডের সমুদ্রতট থেকে ওই তিমিটির দেহ উদ্ধার করা হয়। তার পেট থেকে প্রায় ১০০ কেজি ওজনের প্লাস্টিক কাপ, ব্যাগ, গ্লাভস, মাছ ধরার জাল বের করা হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনা ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পৃথিবী যে ক্রমশ প্লাস্টিক বর্জ্যের জেরে ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে, এই ঘটনা তা প্রমাণ করে দিচ্ছে বলে দাবি পরিবেশপ্রেমীদের।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, স্কটল্যান্ডের সমুদ্রসৈকতে ওই তিমিটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তা নজরে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের। তাঁরা এগিয়ে গিয়েই বুঝতে পারেন প্রাণের স্পন্দন আর নেই। সকলেই নিশ্চিত হন যে মারা গিয়েছে ওই তিমিটি। খবর দেওয়া হয় স্কটিশ মেরিন অ্যানিম্যাল স্ট্র্যান্ডিং স্কিম নামে এক সংস্থাকে। সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিমির মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করে। তাতেই দেখা গিয়েছে যে শুধুমাত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ওই তিমির মৃত্যুর প্রধান কারণ। তার পেট থেকে প্রায় ১০০ কেজি ওজনের প্লাস্টিক কাপ, ব্যাগ, গ্লাভস, মাছ ধরার জাল পাওয়া গিয়েছে। ড্যান পেরি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তিমির পেট থেকে প্লাস্টিক উদ্ধারের ঘটনায় আরও একবার প্রমাণিত দূষণ ঠিক কতটা ভয়াবহ আকার নিয়েছে।”

Advertisement

এ বিষয়ে স্কটিশ মেরিন অ্যানিম্যাল স্ট্র্যান্ডিং স্কিমের সদস্য ওই তিমির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। তিনি লেখেন, “ওই তিমির পেট থেকে প্রচুর পরিমাণ প্লাস্টিক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। পুরোটাই বলের আকার নিয়ে ফেলেছিল। সমুদ্রের পাড়ে কী ফেলা হবে আর কোনটা নয় তা নিয়ে আমাদের ভাবার সময় এসেছে। সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় প্লাস্টিক দূষণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে।” এই পোস্টটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। বেশিরভাগ নেটিজেন ছবি দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

[আরও পড়ুন: একক প্রচেষ্টায় চন্দ্রপৃষ্ঠে বিক্রম ‘আবিষ্কার’, নাসাকে পথ দেখিয়ে নায়ক চেন্নাইয়ের যুবক]

এর আগেও একাধিকবার প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে তিমি এবং হরিণের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ছে কই? পরিবর্তে দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে অসচেতনতা। ক্রমশই প্লাস্টিকের স্তূপে পরিণত হচ্ছে গোটা পৃথিবী। নিজেদের বাসভূমিকে আর কবে বাসযোগ্য করে তোলার জন্য সচেতন হব আমরা, সেই প্রশ্নই যেন বারবার সামনে আসছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.