Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Global Warming

বঙ্গতনয়ের হাতে তৈরি গ্রিন হাউস গ্যাস মনিটারিং ডিভাইস! দ্রুতই মিলবে বাজারে

ছ'মাস ধরে গবেষণার পর এই গ্রিন হাউস মনিটারিং ডিভাইসের নকশা তৈরি হয়েছে, মিলেছে পেটেন্টও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৫, ১৪:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৫, ১৪:১৬

options
link
বঙ্গতনয়ের হাতে তৈরি গ্রিন হাউস গ্যাস মনিটারিং ডিভাইস! দ্রুতই মিলবে বাজারে zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: বিশ্ব উষ্ণায়ন এখন জলজ্যান্ত সমস্যা। আর বিশেষ করে দায়ী গ্রিন হাউস গ্যাস। বৃহৎ পরিসরে গ্রিন হাউস গ্যাস রোধে প্রচেষ্টা থাকলেও আপামর সাধারণ মানুষ পরিবেশ দূষণ নিয়ে ততটা ওয়াকিবহাল নন। এবার পরিবেশ বাঁচাতে গ্রিন হাউস গ্যাসের আঞ্চলিক সম্ভাব্য উৎস, তার বিভিন্ন ক্ষতিকারক মাত্রা ও প্রতিকারের উপায় জানা যাবে একটি ডিভাইসের মাধ্যমে। এই বিশেষ ‘গ্রিন হাউস মনিটারিং ডিভাইস’ সম্প্রতি তৈরি করেছেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মুরাতিপুর গ্রামের অভিষেক সাহা ও তাঁর সহযোগী দুই বাঙালি গবেষক।

বিজ্ঞানী অভিষেক সাহা ও তাঁর দুই সহযোগী। নিজস্ব ছবি।

অভিষেক জানান, ছ’মাস ধরে গবেষণার পর এই গ্রিন হাউস মনিটারিং ডিভাইসের নকশা তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীন পেটেন্ট দপ্তর থেকে তার স্বীকৃতি মিলেছে। শীঘ্রই বাজারে আসবে। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, বাতাসে গ্রিন হাউস গ্যাসের মাত্রা উত্তরোত্তর বাড়ছে। যার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়েই চলছে। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে এমনিতেই পরিবেশ দূষণের মাত্রা বেড়েছে। অভিষেক বলেন, “কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার, মিথেন, ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ইত্যাদি ধরনের গ্রিন হাউস গ্যাসগুলির আঞ্চলিক স্তরে কত মাত্রায় রয়েছে এবং সেগুলির সম্ভাব্য উৎস সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা নেই। তাই এই বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে সেগুলির মাত্রা নিরীক্ষণ করা সম্ভব হবে। প্রতিকারের বিষয় মানুষকে সচেতন করে তোলা যাবে।”

Advertisement
এই সেই যন্ত্র। নিজস্ব ছবি।

অভিষেক সাহা বাঁকুড়ার রামাইপণ্ডিত কলেজের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক। এই গবেষণার সঙ্গে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব বিভাগের অধ্যাপক জর্জ বিশ্বাস ও কোল ইন্ডিয়ার ডেপুটি ম্যানেজার উত্তরণ সাঁতরা-সহ মোট ১০ জন। উল্লেখ্য, চন্দ্রযান ৩ অভিযানেরও শরিক ছিলেন অভিষেক। চাঁদ থেকে রোভার প্রজ্ঞানের পাঠানো বার্তা অনুযায়ী চাঁদের মাটিতে কোন ধরনের খনিজ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তার বিশ্লেষণের দায়িত্বে ছিলেন অভিষেক।

এছাড়া তিনি সম্প্রতি বিশেষ একটি যন্ত্র তৈরি করেছেন, যেটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোরে কৃষকদের মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়ে দেবে তার জমিতে কোন ধরনের রোগপোকা হামলা করেছে। এমনকী জমিতে কোন ধরনের রোগপোকা হামলা করতে পারে তাও আগাম জানিয়ে দিতে সক্ষম ‘আইওটি অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বেসড ডিটেকশন অ্যান্ড প্রিভেনশন অফ প্ল্যান্ট ডিজিস উইথ স্মার্ট ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম’ নামে ওই যন্ত্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.