Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল

করোনাকে জব্দ করতে শুরু প্রতিষেধকের ট্রায়াল, বিশ্বকে আশার আলো দেখাচ্ছে চিন

প্রথম ধাপে ৫০০ জন এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য এগিয়ে এসেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২০, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২০, ১৫:২৯

options
link
করোনাকে জব্দ করতে শুরু প্রতিষেধকের ট্রায়াল, বিশ্বকে আশার আলো দেখাচ্ছে চিন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। মৃত্যুমিছিল অব্যাহত সর্বত্র। মারণ ভাইরাসের উৎসস্থল হিসাবে চিনকেই দায়ী করেছে প্রথম বিশ্বের দেশগুলি। আমেরিকা তো এককদম এগিয়ে চিনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ তুলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (WHO) অনুদান বন্ধের ঘোষণা করেছে। মহামারির জেরে এই ঠান্ডা লড়াইয়ের মধ্যেও বিশ্বকে আশার আলো দেখাচ্ছে সেই চিনই। করোনা মোকাবিলায় দুটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে জিনপিং সরকার। এমনটাই জানিয়েছে চিনের যৌথ রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ পরিষদ। ইউহানের ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টসের ঔষধ বিশেষজ্ঞ দল এবং বেজিংয়ের সিনোভ্যাক বায়োটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈর হয়েছে এই প্রতিষেধক।

এর আগে SARS, হেপাটাইটিস-এ এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের (H5N1) টিকা আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছিল সিনোভ্যাক বায়োটেক। সংস্থার CEO জানিয়েছেন, চিনের রোগ নিয়ন্ত্রণ পরিষদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই কাজ করছে তাঁর সংস্থা। যদি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সাফল্য আসে তবে দ্রুতি প্রতিষেধক তৈরি করা হবে। বছরে ১০ কোটির বেশি টিকা তৈরি করতে সক্ষম এই সংস্থা। গত মার্চ মাসে চিনের অ্যাকাডেমি অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস এবং ক্যানসিনো বায়ো সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি প্রতিষেধকের মানব পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছিল বেজিং। আমেরিকার ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা মডের্না নিজেদের তৈরি টিকার মানব পরীক্ষা আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথে শুরু করার পর চিন উদ্যোগী হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারতে ২ প্রজাতির বাদুরের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, চাঞ্চল্যকর তথ্য ICMR-এর রিপোর্টে]

চিনা সংবাদ সংস্থা জিনহুয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৫০০ জন এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য এগিয়ে এসেছেন। তাঁরা পরীক্ষার জন্য সরকারি কাগজে স্বাক্ষর করেছেন। এই পরীক্ষায় সাফল্য এলে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু হবে। প্রসঙ্গত, চিনের ইউহান থেকেই প্রথম ছড়ায় এই ভাইরাস। তারপর তা চিনের সীমানা পেরিয়ে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। আমেরিকা-সহ একাধিক দেশ ভাইরাস ছড়ানোর জন্য চিনের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুললেও মৃত্যুর নিরিখে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক ড্রাগনের দেশে। এবার প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি দিয়ে বিশ্বকে আশার আলো দেখাচ্ছে চিন।

[আরও পড়ুন: জলেও বেঁচে থাকে কোভিড, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.