বার বার চারবার। এই নিয়ে চতুর্থবার। চিনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্পেসপ্লেন (Chinese Space Plane) চক্কর কাটল পৃথিবীকে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পশ্চিম চিনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে লং মার্চ-২এফ রকেটে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল চিনা মহাকাশযান ‘শেনলং’। যার অর্থ ‘পবিত্র ড্রাগন’। ২০২০ সাল থেকে ধরলে গত কয়েক বছরে এমন প্রদক্ষিণ এই নিয়ে চারবার। যেহেতু চিনের তরফে এই অভিযান সম্পর্কে ন্যূনতম তথ্যই দেওয়া হয়েছে, তাই এই মিশনের উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
চিন প্রশাসন স্পেসপ্লেন তথা মহাকাশবিমান কর্মসূচিকে প্রযুক্তি সংক্রান্ত পরীক্ষার একটি অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য আরও সুবিধাজনক এবং সাশ্রয়ী মূল্যের লক্ষ্যেই এই অভিযান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই অভিযান সম্পর্কে বিশদে কিছুই বলা হয়নি। যানটির নকশা, ভারবহনের ক্ষমতা, কার্যপ্রণালীর মতো বহু তথ্যই প্রকাশ্যে আনেনি জিনপিং প্রশাসন। আর এই গোপনীয়তা থেকেই নানা জল্পনা জন্ম নিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার। পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান প্রযুক্তিতে বাকিদের পিছনে ফেলে দিয়েছে চিন। মহাকাশ অভিযানের খরচ অপরিসীম। সেখানে যদি একবার অভিযানে পাঠানোর পর সেই যানকে ফের অভিযানে পাঠানো যায়, তাহলে মহাকাশ অভিযানের খরচে রাশ টানা যাবে। তাই চিনের এই উদ্ভাবন ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে কৌতূহল তুঙ্গে।
বলে রাখা ভালো, সাম্প্রতিক সময়ে চিন বারবার চমকে দিয়েছে মহাকাশ গবেষণায়। নিজস্ব মহাকাশ স্টেশনও স্থাপন করেছে বেজিং। ধারাবাহিক গবেষণার মাধ্যমে চিন যে মহাকাশে তাদের ঘাঁটি ক্রমেই মজবুত করছে তা নিশ্চিত। সব মিলিয়ে বেজিংয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষী মিশনগুলির সলতে পাকানোর চলছে, এবং তা চলছে দ্রুত হারে। যা আবারও বুঝিয়ে দিল ‘পবিত্র ড্রাগন’। স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রকল্প ঘিরে কৌতূহল ও চর্চা তুঙ্গে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার