ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে আবহাওয়া। বাতাসে শরতের আনাগোনা। কিন্তু গত আড়াই দশকের সবচেয়ে শীতল রাত দেখেছে সেপ্টেম্বর। যার ফলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এল নিনোর সৌজন্যে এবার আগেই এসে পড়বে শীত?
গতকাল, রবিবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গত ২৫ বছরে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বৃষ্টির পরে অস্বাভাবিক ঠান্ডা রাত, মেঘলা আকাশে কেমন যেন শীত শীত ভাব। এই পরিস্থিতি দেশের নানা প্রান্তেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে। পাখার বেগ কমাতে হচ্ছে, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। যা দেখে অনেকেই দাবি করছেন, এবার শীত বুঝি আগেই আসবে। হয়তো নেপথ্যে রয়েছে এল নিনোর সৌজন্য।
আরও পড়ুন:
কিন্তু এই ধারণা ঠিক নয়। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পারদ পতনের জন্য এল নিনো দায়ী নয়। দেশজুড়ে দীর্ঘ বৃষ্টিপাতের ফলেই বাতাস ঠান্ডা হয়েছে। কিন্তু তার মানে এটা কখনওই ধরে নেওয়া যাবে না শীত এবার তাড়াতাড়ি আসছে। এল নিনোর সঙ্গে এর সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। তবে আগাম শীত আনায় এল নিনোর কোনও ভূমিকা না থাকলেও এই বছরের শেষে এল নিনো বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে আবহাওয়ায়। তেমনই দাবি হাওয়া অফিসের।
কী এই এল নিনো? প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পেরুর পাশে ভূপৃষ্ঠের উত্তপ্ত হওয়াকেই এল নিনো বলে। এল নিনোর ধাক্কায় সমুদ্রের তাপমাত্রা ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বেড়ে যেতে পারে। মোটামুটি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর এল নিনোর প্রভাবে সারা বিশ্বের আবহাওয়াই প্রভাবিত হয়। এবার ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, এল নিনো কেবলই একটা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সূচক মাত্র হয়ে থাকছে না। বরং তা এবার দেশের কৃষি, শক্তিক্ষেত্র, পরিবহণ, খাদ্য সংকটে প্রবল প্রভাব ফেলতে চলেছে। বলা হচ্ছে, এল নিনো এখনও তার সর্বোচ্চ আকার ধারণ করেনি। আশঙ্কা, নভেম্বর-ডিসেম্বরে তা সবচেয়ে ভয়াল আকার নিতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বাকিদের দোষ একজনের উপর চাপানো হয়’, টিম ইন্ডিয়ার ‘কলকাঠি’ নিয়ে বিস্ফোরক গাভাসকর
-
মল্লারপুরে ভুয়ো লটারির কারবার, পুলিশের হাতে ধৃত ৬, উদ্ধার কোটি টাকার টিকিট!
-
হৃতগৌরব ফেরাতে মোদির নির্দেশে বাংলাতে ‘শক্তি সপ্তাহ’, শুভেন্দুর প্রশংসায় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী পুরী
-
ফিনান্সিয়াল সেক্টরে স্মল ক্যাপের ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল?
-
জলপাইগুড়ি কলেজে এসএফআই নেতার নাটক! গায়ে ঢাললেন কেরোসিন, তারপর?