সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিটেসিয়াস যুগে কি গরু ছিল? আসলে গরু স্তন্যপায়ী প্রাণী। আর সেটা ডাইনোসরের যুগ। কাজেই এমন প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। আসলে ক্রিটেসিয়াস যুগের শেষদিকে হাড্রোসরাইড নামের অতিকায় তৃণভোজীদের সঙ্গে আজকের গবাদি পশুদের, বিশেষত গরুর মিল পেয়েই এমন নামে ডাকা হচ্ছে তাদের। একশো বছর আগেই এই প্রাণীগুলির জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি এমন জীবাশ্মের সন্ধান মিলেছে যা থেকে অনেক বেশি তথ্য মিলেছে।
জানা গিয়েছে, এরা দৈর্ঘ্যে সর্বোচ্চ ৪০ ফুট পর্যন্ত হত! ক্রিটেসিয়াস যুগের শেষ ২ কোটি ৪০ বছর পৃথিবীর বুকে বহাল তবিয়তে টিকে থেকেছে এরা। নিউ মেক্সিকো মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্সের বুলেটিনে শিগগিরি প্রকাশিত হতে চলেছে এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্র। সেই গবেষণাপত্রের লেখক অধ্যাপক স্টিভেন জাসিনস্কি জানিয়েছেন, একটু রং চড়িয়েই এদের ‘ক্রিটেসিয়াস যুগের গরু’ বলা হয়। তাঁর কথায়, ”এটা কোনও নিখুঁত মেটাফর নিশ্চয়ই নয়। তবে ওরা দল বেঁধে থাকত। ক্রিটেসিয়াস যুগের শেষদিকে উত্তর নিউ মেক্সিকোর দিকটায় দেখা যেত এদের।”
এই ডাইনোসরদের বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘আহশিসলেসারাস উইমানি’। ১৯১৬ সালে প্রথমবার এদের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছিল। তখনই এদের ক্রিটেসিয়াস যুগের হাইড্রোসরাইড গোত্রীয় প্রাণীদের মধ্যে চিহ্নিত করা গিয়েছিল। কিন্তু নতুন আবিষ্কারে হাতে এসেছে আরও তথ্য। আসলে এবার গবেষকরা একটি অসম্পূর্ণ খুলি, চোয়ালের নিচের অংশ ইত্যাদি পেয়েছেন। আর তাতেই হাতে এসেছে আরও নানা আকর্ষণীয় তথ্য।
প্রাগৈতিহাসিক যুগের পৃথিবী নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল বরাবরই প্রবল। তাঁরা মনে করছেন, যত সেই যুগের নতুন নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের সন্ধান মিলবে, ততই আরও বেশি করে জানা যাবে সেই হারানো সময় নিয়ে। স্বাভাবিক ভাবেই আদিম পৃথিবীর ক্রিটেসিয়াস যুগে মাটি কাঁপিয়ে হেঁটে বেড়ানো হাড্রোসরাইড নামের অতিকায় তৃণভোজীদের নিয়ে তাদের বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!