Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mars

মঙ্গলে অসাধ্য সাধন রোভারের! লাল গ্রহের মাটিতে তৈরি হল অক্সিজেন

এই সাফল্যকে যুগান্তকারী বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২১, ১৫:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২১, ১৫:০২

options
link
মঙ্গলে অসাধ্য সাধন রোভারের! লাল গ্রহের মাটিতে তৈরি হল অক্সিজেন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েক দিন আগেই মঙ্গলের (Mars) মাটিতে হেলিকপ্টার উড়িয়ে কার্যত অসাধ্য সাধন করেছে নাসা (NASA)। এবার আরও এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ল পারসিভিয়ারেন্স (Perseverance)। ছয় চাকার এই রোভার (Rover) লাল গ্রহের মাটিতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড থেকে উৎপাদন করে ফেলেছে অক্সিজেন। স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতের নভোচারীদের জন্য এই সাফল্য যুগান্তকারী হিসেবেই প্রতিপন্ন হবে।

এমনিতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড থেকে অক্সিজেন উৎপাদন পৃথিবীতে ঘটানো গেলেও এই প্রথম অন্য কোনও গ্রহে তা ঘটানো সম্ভব হল। আর এই সাফল্যের আসল কারিগর গাড়ির ব্যাটারির আকারের এক সোনালি বাক্স। যার নাম ‘মার্স অক্সিজেন ইন-সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন এক্সপেরিমেন্ট’ তথা মক্সি। আর এই মক্সিতেই মোক্ষলাভ। মূলত বিদ্যুৎ ও রাসায়নিকের সাহায্য়ে কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে বিশ্লিষ্ট করে রোভারের সামনে বসানো এই ছোট যন্ত্র ৫ গ্রাম অক্সিজেন উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওই পরিমাণ অক্সিজেন দিয়ে সাধারণ অবস্থায় মিনিট দশেক শ্বাসপ্রশ্বাস চালানো যায়। গত ২০ এপ্রিলের সাফল্যের পরে আরও নতুন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে যাবে মক্সি। আপাতত তার লক্ষ ঘণ্টায় ১০ গ্রাম অক্সিজেন করা। প্রসঙ্গত, কেবল অক্সিজেন নয়, তার সঙ্গে কার্বন মনোক্সাইডও উৎপাদিত হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সূর্যের আলোয় লুকিয়ে করোনার মারণবীজ! চাঞ্চল্যকর দাবি গবেষকদের]

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি লাল গ্রহের মাটি স্পর্শ করেছে পারসিভিয়ারেন্স। তারপর থেকেই চমকে দিয়েছে রোভার। এই প্রথম মঙ্গলের শব্দ রেকর্ড করা সম্ভব হয়েছে তারই সৌজন্যে। তবে অন্যতম সেরা সাফল্য এসেছে গত সোমবার। এই প্রথম অন্য কোনও গ্রহের আকাশে হেলিকপ্টার উড়তে দেখা গেল। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার হেলিকপ্টার ইনজেনুইটির এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হতে দেখা যায় নাসার বিজ্ঞানী ও কর্মীদের। মঙ্গল-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ ফুট উপরে উড়তে দেখা যায় নাসার এই কপ্টারকে। কেবল আকাশে ওড়াই নয়, এরপর ধীরে ধীরে সেটিকে মাটিতে নেমে আসতেও দেখা যায়। এরপরই মক্সির এই সাফল্য যে নাসার মুকুটে নয়া পালক হয়ে জুড়ে গেল তা বলাই বাহুল্য।

[আরও পড়ুন: জল নেই, কেবল প্লাস্টিক! এ কেমন হ্রদ?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.