BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চলতি বছর সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ চাক্ষুষ করার সুবর্ণ সুযোগ দেশবাসীর কাছে! জেনে নিন দিনক্ষণ

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 25, 2020 3:28 pm|    Updated: April 25, 2020 3:30 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০ সালকে কেবল ‘মহামারি’র বছর হিসেবে চিহ্নিত করলেই হবে না। এবছর গুরুত্বপূর্ণ মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব। বিশেষত ভারতবাসীর জন্য একেবারে সুবর্ণ সুযোগ। জুন মাসে একইসঙ্গে চন্দ্রগ্রহণ আর সূর্যগ্রহণ চাক্ষুষ করতে পারবেন দেশবাসী। এ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই তা দেখা যাবে বলে আশার কথা শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যা কিনা বিরল ঘটনা। কখন সবচেয়ে ভাল দৃশ্য সামনে আসবে, তাও অঙ্ক কষে আগাম জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

জুনের ৬ তারিখ চন্দ্রগ্রহণ। ওইদিন রাত প্রায় ১ টা নাগাদ এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপ, আফ্রিকা – এই চার মহাদেশ থেকে দৃশ্যমান হবে পৃথিবীর ঢেকে দেওয়া চাঁদের খণ্ডাংশ। বিজ্ঞানীদের হিসেব অনুযায়ী, সময়টা ঠিক রাত ১২.৫৪। এই সময়েই চাঁদের ঢেকে যাওয়া রূপ সবচেয়ে ভালভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন ভারতবাসী। দেশের প্রায় সবকটি শহর থেকেই পরিলক্ষিত হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণের দৃশ্য। এই ঘটনা সৌরজগতে বিশেষ বলে মত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের।

[আরও পড়ুন: ‘সূর্যের আলোই করোনা দ্রুত নির্মূল করতে পারে’, বলছেন মার্কিন গবেষকদের একাংশ]

এবার আসা যাক সূর্যগ্রহণের কথায়। ২১ জুন – এই দিনটিতে পৃথিবী ও সূর্যের ঠিক মাঝখানে চলে আসবে, ফলে চাঁদের ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের মাঝের অংশ। কেবল বহিরাংশের আলোর ছটা দৃশ্যমান হবে। উত্তর ভারত এবং পাকিস্তান, চিন থেকে দেখা যাবে সূর্যের বলয় (Solar Ring)। এছাড়া মধ্য আফ্রিকার ইথিওপিয়া, কঙ্গো থেকেও দৃশ্যমান হবে এই সূর্যগ্রহণ। কিন্তু কখন দেখা যাবে সেই সৌরবলয়? বিজ্ঞানীদের হিসেব কষে বলছেন, ওই রাত ১২.১০ নাগাদ হরিয়ানা, রাজস্থান, দেরাদুন এবং দিল্লির কয়েকটি অংশ থেকে
সবচেয়ে ভালভাবে মহাজাগতিক এই ঘটনা চাক্ষুষ করতে পারবেন বাসিন্দারা।

[আরও পড়ুন: সাধ্যের মধ্যে এবার COVID-19 টেস্ট কিট, মুশকিল আসান করল আইআইটি-দিল্লি]

এই দুই গ্রহণের পাশাপাশি গোটা বছরে ৬ টি চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ হবে। যার মধ্যে রয়েছে চারটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ ও দুটি সূর্যগ্রহণ, একটি পূর্ণগ্রাস, আরেকটি খণ্ডগ্রাস। তবে এগুলো সেভাবে পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হবে না। তাই, ৬ জুন এবং ২৩ জুনের দিকেই তাকিয়ে বিশ্ববাসী।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement