Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
James Webb Telescope

প্রথম আলো! ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির পরবর্তী সময়ের ‘নবীন’ ছায়াপথকে খুঁজে পেল জেমস ওয়েব

এবছরের জানুয়ারিতে 'ওপেন জার্নাল অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স'-এ প্রকাশিত হয়েছে ওই ছবি! MoM-z14 নামের ওই ছায়াপথের ছবি জেমস ওয়েব তুলেছিল গত বছরের ২৩ মে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৬:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৬:১৮

options
link
প্রথম আলো! ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির পরবর্তী সময়ের ‘নবীন’ ছায়াপথকে খুঁজে পেল জেমস ওয়েব zoom
Advertisement

নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ খুঁজে পেল সবচেয়ে দূরের ছায়াপথকে। নিজের আগের নজির ভেঙে দিল এই শক্তিশালী ‘মহাজাগতিক দূরবিন’! জানানো হয়েছে, ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির মুহূর্ত অর্থাৎ ‘বিগ ব্যাং’-এর মাত্র ২৮০ মিলিয়ন বছর পরের ছবি ধরা পড়েছে জেমস ওয়েবের লেন্সে। এবছরের জানুয়ারিতে ‘ওপেন জার্নাল অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে ওই ছবি! 

MoM-z14 নামের ওই ছায়াপথের ছবি জেমস ওয়েব তুলেছিল গত বছরের ২৩ মে। বিগ ব্যাং-এর ২৮০ মিলিয়ন বছর পরের সময়ের আলোই প্রতিফলিত হতে দেখা যাচ্ছে ছবিটিতে। অর্থাৎ অত বছর আগে সেই ছায়াপথ থেকে নির্গত আলো যাত্রা শুরু করে এতদিনে পৃথিবীর কাছাকাছি এসে ধরা দিল জেমস ওয়েবের টেলিস্কোপে! স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বসিত গবেষকরা। আমাদের আকাশগঙ্গার ৪০০ ভাগের এক ভাগ আয়তনের এই ছায়াপথকে দেখে গবেষণাপত্রটির অন্যতম লেখক বিজ্ঞানী রোহন নাইডু জানিয়েছেন, ”জেমস ওয়েবের সাহায্যে আমরা এত দূরে দেখতে পাচ্ছি, যা মানুষ আজ পর্যন্ত পারেনি। আমরা এতটাও আশা করিনি। ব্যাপারটা যেমন চ্যালেঞ্জের, তেমনই উত্তেজনাময়।”

Advertisement

বিগ ব্যাং-এর ২৮০ মিলিয়ন বছর পরের সময়ের আলো প্রতিফলিত হতে দেখা যাচ্ছে ছবিটিতে। অর্থাৎ অত বছর আগে সেই ছায়াপথ থেকে নির্গত আলো যাত্রা শুরু করে এতদিনে পৃথিবীর কাছাকাছি এসে ধরা দিল জেমস ওয়েবের টেলিস্কোপে!

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ডিসেম্বরেই মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। দু’ সপ্তাহ পরে তা কর্মক্ষম হয়ে ওঠে। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি তারপর থেকেই মহাজাগতিক আশ্চর্য সব ছবি পাঠিয়ে চলেছে। হাবলের তুলনায় তার ছবিগুলি আরও নিখুঁত, আরও স্পষ্ট। মহাকাশের এই খুব শক্তিশালী টেলিস্কোপটি বানাতে নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি। আগামী এক দশক মহাকাশে সন্ধানী দৃষ্টি নিয়ে ঘোরাফেরা করবে নাসার অত্যাধুনিক টেলিস্কোপটি। যেভাবে সে খুঁজে পেল মহাকাশের সুদূরপ্রান্তে অবস্থিত ছায়াপথকে। সেভাবেই সেটি পরবর্তী সময়ে তুলে ধরবে রহস্যময় ব্রহ্মাণ্ডের নানা সুদূর প্রান্তের ছবি। যা হদিশ দেবে এই বিপুল বিশ্বের নানা অজানা তথ্যের।

২০২১ সালের ডিসেম্বরেই মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। দু’ সপ্তাহ পরে তা কর্মক্ষম হয়ে ওঠে।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.