Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Japan

শরীরে নুনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন? বৈদ্যুতিক চপস্টিক বানিয়ে তাক লাগালেন জাপানি বিজ্ঞানী

আগামী বছরই বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে পারে বৈদ্যুতিক চপস্টিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২২, ১৭:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২২, ১৭:২৮

options
link
শরীরে নুনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন? বৈদ্যুতিক চপস্টিক বানিয়ে তাক লাগালেন জাপানি বিজ্ঞানী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রসনা তৃপ্তি তো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই কাজটা ঠিকমতো না হলে দিনটাই যেন কেমন বিস্বাদ হয়ে যায়। যদিও রসাস্বাদনে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। তবে জাপানিরাও এতে কম যান না। নিজের দেশের রকমারি খাবারদাবার চাখতে তাঁদের উৎসাহের অন্ত নেই। আর জাপান মানেই আবার প্রযুক্তি (Technology)। তো খাবারের সঙ্গে যদি প্রযুক্তিকে জুড়ে ফেলা যায়, সেটা কেমন হবে? শুনে আশ্চর্য হচ্ছেন তো? কিন্তু প্রকৃত ঘটনা সেটাই। স্বাদ আরও বাড়াতে এবার তাদের আবিষ্কার বৈদ্যুতিক চপস্টিক (Electric Chopsticks)! নোনতা স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করবে এই চপস্টিক। তা আদতে ডায়েটের জন্য ভাল। যাঁদের শরীরে সোডিয়ামের ভাগ কমানো প্রয়োজন, তাঁরা এই চপস্টিক ব্যবহার করে খাবার খেলে স্বাদ ও স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই সুবিধা পাবেন।

Advertisement

শরীরে নুনের (Sodium) পরিমাণ কমিয়ে খাবারের স্বাদ বাড়াতে ইলেকট্রিক চপস্টিক তৈরির ভাবনা আসলে জাপানের (Japan) মেইজি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হোমেই মিয়াশিতার। তাঁর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন বিখ্যাত পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থা কিরিন হোল্ডিংস কোম্পানি। বলা হচ্ছে, ওই বৈদ্যুতিক চপস্টিকটি নোনতা স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করবে। বলা হচ্ছে, ইলেকট্রিক চপস্টিকটি দিয়ে খেলে ওই পদের স্বাদ দেড়গুণ পর্যন্ত বাড়বে। অথচ শরীরে খুব বেশি সোডিয়ামও ঢুকবে না।

[আরও পড়ুন: মায়াপুরে বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির দেখে আপ্লুত! বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে দাঁড়িয়ে প্রশংসা জিন্দলের]

কীভাবে কাজ করবে ইলেকট্রিক চপস্টিক? তাও ব্যাখ্যা করেছেন বিজ্ঞানী হোমেই মিয়াশিতা। জানা গিয়েছে, একটি রিস্টব্যান্ডের ভিতরে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ভরে একটি মিনি কম্পিউটার তৈরি হয়েছে। তার সঙ্গে সূক্ষ্ম তার দিয়ে যুক্ত থাকবে চপস্টিকটি। খাওয়ার সময় সামান্য তীব্রতার বিদ্যুৎ প্রবাহ হবে। এই প্রবাহের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে মানুষের স্নায়ুতরঙ্গের সঙ্গে অঙ্ক মিলিয়ে। মিয়াশিতা নিজের গবেষণাগারেই এই যন্ত্রটি তৈরি করেছেন। এর জন্য অবশ্য প্রথমে কিরিন হোল্ডিংসের এক কর্মীর থেকে তিনি এই স্বাদগ্রহণের মৌলিক বিজ্ঞানটা বুঝে নিয়েছিলেন। তারপরই শুরু করে রিস্টব্যান্ডে মিনি কম্পিউটার বানিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগের মাধ্যমে চপস্টিক বানানোর কাজ।

[আরও পড়ুন: লিভ-ইন সম্পর্ক থেকে বাড়ছে যৌন অপরাধ, মন্তব্য হাই কোর্টের]

আসলে এই চপস্টিক জাপানের বাসিন্দাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাঁদের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী, খাবারে বাড়তি নুন থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রত্যেকের জন্য খাবারে নুনের মাত্রা যতটা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, জাপানিরা ঠিক তার চেয়ে ঠিক দ্বিগুণ নুন খান। তাই প্রিয় পদে নুনের মাত্রা কমিয়েও তার স্বাদ না কমানোর উপায় বাতলেছেন অধ্যাপক হোমেই মিয়াশিতা। বলা হচ্ছে, এবার থেকে সাধারণ বেত বা ফাইবারের চপস্টিকের বদলে ডায়েটের জন্য বৈদ্যুতিক চপস্টিকের ব্যবহার বাড়বে জাপানে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছর থেকে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে বৈদ্যুতিক চপস্টিক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.