৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিকষ কালো আকাশে অকাল দীপাবলি৷ জ্বলন্ত আলোর বিন্দুর আনাগোনা আকাশজুড়ে৷ এমনই দৃশ্যের সাক্ষী হতে চলেছেন বিশ্ববাসী৷ আজ এবং আগামিকাল রাতে আকাশে এমনই আলোর খেলা দেখা যাবে বলে জানিয়েছে নাসা৷

[আরও পড়ুন: দিনের পর দিন বিদ্যুৎ চুরি, অভিযুক্তকে নজিরবিহীন শাস্তি আদালতের]

পৃথিবীর পাশ দিয়ে যেতে যেতে সঙ্গে সেই কবে মহাকাশের বর্জ্যের মধ্যে হারিয়ে গিয়ে সুইফট টাটল নামে এক ধূমকেতুর অংশ৷ খণ্ডবিখণ্ড হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল৷ বায়ুমণ্ডলের অসংখ্য ধুলোকণার সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে জ্বলে উঠে সেসবই এখন আলোর মালা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ নাসা বলছে, প্রতি ঘণ্টায় ৫০ অথবা তার বেশি সংখ্যক আলোর বিন্দু জ্বলে উঠবে আকাশে৷ ওই বিন্দুগুলি একেকটি ভাতের দানার চেয়েও ছোট বলে নাসা সূত্রে খবর৷
নাসার তরফে আরও জানা যাচ্ছে, প্রতি বছর এই সময়টায় উল্কাবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে৷ মহাকাশবিজ্ঞানীদের হিসেব অনুযায়ী, এই সময়েই মহাকাশের ওই আবর্জনা স্তূপের পাশ দিয়েই আবর্তিত হয় পৃথিবী৷ তাই এই সময়েই মহাকাশের ওই অংশের আলোর খেলা চাক্ষুষ করতে পারেন বিশ্ববাসী৷ নাসার ধূমকেতু সংক্রান্ত বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী বিল কুকের কথায়, ‘আপনারা যে আলোটা দেখেন, সেটার ব্যাসার্ধ এক সেন্টিমিটারের বেশি কিছুতেই নয়৷ এই টুকরোগুলোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম থাকে৷ তাই আলোটা অনেকটা হলদেটে হয়৷তবে কোনও কোনও টুকরোর রাসায়নিক গঠন অন্যরকম হয়৷ যেমন, তার মধ্যে সোডিয়াম ছাড়াও ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ইত্যাদি থাকে৷ তার সঙ্গে বায়ুমণ্ডলের সংঘর্ষে অন্য রঙের আলোর ছটা দেখা যাবে৷’

meteor

[আরও পড়ুন: ভরসা উপগ্রহের মাধ্যাকর্ষণ, ইসরোর চন্দ্রযানকে নিজেই কাছে টেনে নিয়ে যাচ্ছে চাঁদ]

কিন্তু ভূভাগের কোন অংশ থেকে দেখা যাবে এমন অকাল দীপাবলি? নাসা অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশের অঙ্ক কষে বলছে, বিশেষ কোনও জায়গা নেই৷ বিভিন্ন প্রান্তে রাত ১০টা থেকেই দেখা যাবে আকাশে আলোর খেলা৷ কোনও অংশের মানুষ বঞ্চিত হবেন না৷ তবে আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে কিছু দেখার উপায় নেই৷ সোমবার মাঝরাত নাগাদই উল্কাবৃষ্টি সবচেয়ে বেশি চাক্ষুষ করতে পারবেন৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, নভেম্বর অর্থাৎ হেমন্তের নির্মল আকাশে সবচেয়ে ভাল উল্কাবৃষ্টি দেখা যায়৷ বর্ষার আকাশে তা খোলা চোখে কতটাই বা দেখা যাবে, সে বিষয়ে সন্দিহান মহাকাশবিজ্ঞানীরাই৷

 

 

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং