Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Volcano

হাইওয়ে না আগুনের নদী! লাভাস্রোতে ভাসল ফ্রান্সের দ্বীপ, মিশবে ভারত মহাসাগরে?

ভয়ংকর দৃশ্য দেখা গেল ফ্রান্সের রিইউনিয়ন দ্বীপে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ২০:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ২০:৪৭

options
link
হাইওয়ে না আগুনের নদী! লাভাস্রোতে ভাসল ফ্রান্সের দ্বীপ, মিশবে ভারত মহাসাগরে? zoom
৫ লক্ষ বছরেরও প্রাচীন আগ্নেয়গিরিটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আগুন ঝরিয়ে চলেছে।

পুরু, জ্বলন্ত ও গলন্ত পাথরের চাঁই নেমে এসেছে হাইওয়েতে। সেখানে তারা গড়িয়ে যাচ্ছে পথের উপর দিয়ে! এমনই ভয়ংকর দৃশ্য দেখা গেল ফ্রান্সের (France) রিইউনিয়ন দ্বীপে। বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি পিটন দে লা ফোরনাইজ। এবার সেই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতেই ছড়াল আতঙ্ক।

৫ লক্ষ বছরেরও প্রাচীন এই আগ্নেয়গিরিটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আগুন ঝরিয়ে চলেছে। ষোড়শ শতাব্দীর পর থেকে এযাবৎ দেড়শোরও বেশি হাক সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে এটিকে। এবার মাদাগাস্কারের ৭০০ কিমি পূর্বে অবস্থিত রিইউনিয়ন দ্বীপে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দেখা যাচ্ছে, লাভাস্রোত নেমে এসেছে পথে। গাছপালা, বন্য প্রাণ সবই যাচ্ছে তাদের গ্রাসের কবলে। আসলে এত বেশি লাভা উদগীরণ করলেন বেশির ভাগ সময়ই এই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুতপাত স্থায়ী হয় না। তবে মাঝে মাঝেই প্রবল অগ্ন্যুপাতের সাক্ষী হন মানুষ।

Advertisement

শেষবার এখানে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্ন্যুৎপাত ইতিমধ্যেই এবার দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। সাম্প্রতিক কালে এত বেশি আগুনবৃষ্টিও হয়নি। এবার দেখা যাচ্ছে, পথের উপরে নেমে এসেছে গলন্ত আগুন। তবে সমুদ্রের স্পর্শ পেলে দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যাবে লাভা। ফলে দ্বীপটি আয়তনে আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গেই আকাশ ঢেকেছে পুরু ধোঁয়ার মেঘে। অনেকেরই সেই কারণে শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। চোখ জ্বলছে। তবে কোনও হতাহতের খবর নেই। তবুও এলাকা ঘিরে ফেলে সাধারণ পর্যটকদের এখানে আসতে বারণ করা হয়েছে।

এদিকে আশঙ্কা, যদি লাভাপ্রবাহের মাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকে, তবে এই দ্বীপের সমৃদ্ধ বনভূমি ও প্রবাল প্রাচীরগুলোও এর উত্তাপের শিকার হতে পারে। প্রকৃতির এই প্রবল রূপ মনে করিয়ে দেয় যে, আগ্নেয়গিরিগু কীভাবে প্রতিনিয়ত আমাদের এই গ্রহকে নতুন রূপে গড়ে তুলছে। যদিও দৃশ্যটি শ্বাসরোধকারী, তবুও যারা এই সুন্দর দ্বীপটিকে নিজেদের আবাসস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন— তাদের কাছে সুরক্ষাই সবার আগে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.