সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগাল্যান্ডে (Nagaland) দেখা মিলল ক্লাউডেড লেপার্ডের। ভারত-মায়ানমার সীমান্তের এই রাজ্যের একটি পাহাড়ি জঙ্গলে একদল পশু বিশেষজ্ঞের ক্যামেরাবন্দি হয়েছে বিরল প্রজাতির এই প্রাণী। জঙ্গলটি প্রায় ৩,৭০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গোটা বিশ্বজুড়ে এত বেশি উচ্চতায় এই প্রাণির হদিশ মেলা এই প্রথম।
এই সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা হয়েছে আইইউসিএন/স্পিসিজ সারভাইবল কমিশন ক্যাট স্পেশালিস্ট গ্রুপসের নিউজলেটার ‘ক্যাট নিউজ’-এর শীতকালীন ২০২১ সংখ্যায়। এই প্রাণীটির বিজ্ঞানসম্মত নাম হল ‘নিওফেলিস নেবুলোসা’। মাঝারি আকৃতির এই পশুটি বনবিড়াল গোত্রের প্রাণীদের মধ্যে আকারে সবচেয়ে ছোট, গাছে উঠতে সক্ষম এবং ‘বিপন্ন’ শ্রেণির। অর্থাৎ এটি আইইউসিএন-এর ‘রেড লিস্ট অফ থ্রেটেনড স্পিসিজ’-এর তালিকাভুক্ত। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ক্লাউডেড লেপার্ডদের সন্ধান মূলত পাওয়া যায় চিরহরিৎ অরণ্য, বনভূমিতে যা নিচু উচ্চতায় অবস্থিত। এক্ষেত্রে এত উচ্চতায় (৩,৭০০ মিটার) এই ধরনের প্রাণীর বিরল দর্শন তাই বিস্মিত করেছে সকলকে।
[আরও পড়ুন: Coronavirus: লাগামহীন করোনা, দেশে একদিনে সংক্রমিত ১ লক্ষ ১৭ হাজার]
বিশেষজ্ঞ গবেষকদলের নেতৃত্বে ছিলেন দিল্লির ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার সদস্যরা। তাঁরাই পূর্ব নাগাল্যান্ডের কিফিরে জেলার থানামির গ্রামের সমুদ্রতল থেকে ৩,৭০০ মিটার উঁচু এবং প্রায় ৬৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ওই বনভূমিতে বিচরণরত ওয়াইল্ড ক্যাটের ছবি তুলেছে।
প্রসঙ্গত, ওই জঙ্গলেই রয়েছে নাগাল্যান্ডের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, মাউন্ট সারামাতি। জানা গিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের দলটিতে থানামিরের পাঁচ গ্রামবাসীও ছিলেন। ছবি তোলার জন্য তাঁরা জঙ্গলে ৫০টি ক্যামেরা ট্র্যাপ লাগিয়েছিলেন, প্রথমে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন এবং তারপর আবার ২০২১ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত।
[আরও পড়ুন: লাদাখ সীমান্তে সেনা পাঠাতে প্যাংগং লেকে সেতু বানিয়ে ফেলেছে চিন, স্বীকার করল কেন্দ্র]
সর্বশেষ খবর
-
হাতে স্বামীজির ছবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ কাফুর, ব্রাজিল ম্যাচের আগে শহরে বিশ্বজয়ী তারকা
-
প্রথমবার দিল্লি থেকে সরতে চলেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চ! দায়িত্বে কোন রাজ্য?
-
স্বস্তি! রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের সময় কমাল মোদি সরকার, মিলবে কতদিনে?
-
হবু ডাক্তারদের অন্তর্বাসে হাত দিয়ে তল্লাশি! ন্যাশনাল মেডিক্যালের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি
-
ছন্দ-অন্ত্যমিল অক্ষুণ্ন রেখে ৫০টি রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুবাদ, প্রকাশিত সৌম্য ভট্টাচার্যের ‘ইটারনাল সংস’