সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড় আকারের এক গ্রহাণু (Asteroid)। এটির নাম ২০২4 এমএইচ১। গতিবেগ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৯১৬ কিমি! ব্যাস ৯১ মাইল। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) জানিয়েছে, পৃথিবীর গা ঘেঁষে চলে যাওয়ার কথা অতিকায় গ্রহাণুটির। শুক্রবার রাতেই সেটি আসার কথা।
জানা গিয়েছে, পৃথিবী থেকে ১৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ১৬৬ কিমি দূরত্বে চলে যাবে গ্রহাণুটি। যা চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্বের ৪.৭ গুণ। আপাতভাবে এই দূরত্ব বেশি মনে হলেও বিজ্ঞানীদের মতে মহাজাগতিক হিসেবে তা খুব বিরাট দূরত্ব নয়। যদিও আপাত ভাবে পৃথিবীর সঙ্গে ওই গ্রহাণুর ধাক্কা লাগার আশঙ্কা নেই। তবু জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুটির গতিবিধির দিকে নজর রাখবেন।
[আরও পড়ুন: দিল্লি সফরে কেজরির বাড়িতে মমতা, পাশে থাকার বার্তা সুনীতাকে]
প্রসঙ্গত, এই ধরনের আগন্তুক গ্রহাণু অতীতে বহুবার পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছে এবং পৃথিবীর বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রাগৈতিহাসিক কালে পৃথিবীর বুকে রাজত্ব করা ডাইনোসরদের অবলুপ্তির পিছনেও এই ধরনের মহাজাগতিক বস্তুর আছড়ে পড়াকে অন্যতম কারণ হিসেবে দাবি করেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক অতীতে বহুবারই গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে মানব সভ্যতা ধ্বংস হওয়ার নানা জল্পনা ও গুজব শোনা গিয়েছে।
তবে সাধারণত এই ধরনের গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের সম্ভাবনা কমই থাকে। যদিও কখনও কখনও অন্য গ্রহের সঙ্গে মহাকর্ষীয় টানের কারণে তারা আচমকাই অনেকটা কাছে চলে আসে। তাই নিয়মিতই এই ধরনের গ্রহাণুর গতিবিধির নিরীক্ষণ করে নাসা। জুলাই মাসেই পৃথিবীর কাছ ঘেঁষে চলে গিয়েছে অন্তত ১০টি গ্রহাণু। এরই পাশাপাশি গ্রহাণুর পাথুরে শরীর থেকে উপাদান সংগ্রহের চেষ্টাও করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নাসার পরিকল্পনা রয়েছে পৃথিবীর কাছাকাছি এসে পড়া কোনও গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সেটির গতি কমিয়ে দেওয়ার।\
[আরও পড়ুন: ‘একত্রে সিদ্ধান্ত নিলে অন্য কিছু ভাবতাম’, নীতি আয়োগের বৈঠকের আগে বার্তা মমতার]
সর্বশেষ খবর
-
লালু-ভুলুরা চেটেপুটে খাচ্ছে কুলফি! সারমেয়দের জন্য সুগার ফ্রি ডেজার্ট বানিয়ে ভাইরাল বিক্রেতা
-
নেপালের দুর্গতদের পাশে ভারত সেবাশ্রম, সহযোগিতার হাত বাড়াল ঠিকাদার সংগঠন
-
দ্রুত পাতলা হচ্ছে ভ্রু! হীনমন্যতা এড়াতে আজই কাজে লাগান এই ৫ ঘরোয়া সমাধান
-
আপে যোগ গ্যাংস্টার গুরপ্রীতের! ‘খুন করে রাজনীতিতে’, কেজরির দলকে তোপ সিধু মুসেওয়ালার বাবার
-
সনাতনী সংস্কৃতিতে আঘাত নয়! পটুয়াপাড়ায় বাড়ছে সাবেকি প্রতিমার চাহিদা