Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
NASA

ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য জানতে নয়া চ্যালেঞ্জ নাসার, গ্রহাণু ছুঁয়ে নুড়ি সংগ্রহ করবে মহাকাশযান

পুরো বিষয়টি লাইভ স্ট্রিম হবে নাসার চ্যানেল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২০, ১৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২০, ১৪:২২

options
link
ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য জানতে নয়া চ্যালেঞ্জ নাসার, গ্রহাণু ছুঁয়ে নুড়ি সংগ্রহ করবে মহাকাশযান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাকাশের গোপন রহস্য জানতে আরও এক কঠিন চ্যালেঞ্জ নিল নাসা। এবার টক্কর গ্রহাণুর সঙ্গে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য তাদের মহাকাশযান OSIRIS-REx এক পাথুরে গ্রহাণুতে অবতরণ করবে। বলা ভাল, ধাক্কা খাবে। ১০-১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ওই গ্র্হাণু থেকে পাথর-মাটি সংগ্রহ করে বেরিয়ে আসতে হবে মহাকাশযানটিকে। আর এই পুরো ঘটনাটি লাইভ স্ট্রিম করা হবে নাসা টিভিতে। ফলে মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে পারবেন আপনিও।

নাসা এই মিশনের নাম দিয়েছে ‘Touch-And-Go (TAG) sample collection event’। ভারতীয় সময় বুধবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই রোমাঞ্চকর ঘটনাটি ঘটবে। তবে গবেষকরা বলছেন, এই মিশন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। গ্রহাণুতে ধাক্কা লেগে মহাকাশযানটি নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে মিশন সম্পূর্ণ হবে না। তবে যদি এই মিশন সফল হয়, তাহলে নতুন ইতিহাস গড়বে নাসা।

Advertisement

[আরও পড়ুন : চোখ রাঙাচ্ছে উষ্ণায়ন, লন্ডন-সহ শহরাঞ্চলে সবুজায়নের হিড়িক ব্রিটিশদের]

নাসার অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে মহাকাশে ইট-নুড়ি-পাথর সংগ্রহ করছে নাসা। সেই উদ্দেশ্যে গ্রহাণু বেন্নুর একটি অংশ স্পর্শ করবে স্পেশক্রাফটটি। এই ঐতিহাসিক মূহূর্তটি লাইভ স্ট্রিম করা হবে। গোটা মিশনটি সাড়ে চার ঘণ্টার হলেও স্পেশক্রাফটি গ্রহাণুর সংস্পর্শে থাকবে মাত্র ১০-১৫ সেকেন্ডের জন্য।

[আরও পড়ুন : অবিশ্বাস্য! চিনের আকাশে একসঙ্গে ৩ ঘণ্টা ঝলমল করল তিনটি সূর্য, পিছনে কোন রহস্য?]

নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুয়ায়ী, স্পেশক্রাফট OSIRIS-REx অন্তত ৬০ গ্রাম পাথর সংগ্রহ করবে। যা সৌরজগতের ইতিহাস জানতে সাহায্য করবে। তবে এই যাত্রাটা মোটেও সহজ নয়। স্পেশক্রাফটটি যেখানে নামবে, সেই এলাকাটি ভীষণ ছোট আর পাথুরে। নাসার তথ্য অনুসারে, কয়েকটি ছোট গাড়ি রাখার পার্কিং প্লেসের মতো স্থান। রয়েছে বিশাল বিশাল বোল্ডার। ফলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে বহনের উপযুক্ত নুড়ি খুঁজে বের করে তা পৃথিবীতে নিয়ে আসে মোটেই সহজ কাজ নয়। প্রথমবারের চেষ্টায় এই মিশনে সাফল্য নিয়ে সন্দিহান গবেষকরাও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.