মে মাসেই রাতের আকাশে আবির্ভূত হবে মস্ত বড় চাঁদ। পূর্ণিমার চাঁদই বলুন বা বিজ্ঞানের মায়ার খেলা– আপনাকে চমক দিতে বিরলতম মহাজাগতিক ঘটনা ঘটতে চলেছে সেদিন। এবার যে চাঁদ দেখা যাবে তা ‘নীল চাঁদ’। গত ১ মে দেখা গিয়েছে বছরের প্রথম ‘মাইক্রো মুন’। এর নাম ছিল ফ্লাওয়ার মুন। এরপর ৩০ মে রাতে দেখা যাবে ‘ব্লু মুন’ (Blue Moon)।
তবে ব্লু-মুন নামটা নিয়ে গোলমালও হয়। কখনও কখনও বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেশি থাকলে অনেক সময়ে বেশি আকাশে চাঁদের রং নীলচে দেখায়। কিন্তু তার সঙ্গে ব্লু মুন নামের কোনও সম্পর্ক নেই। আসলে এই চাঁদ নামেই ব্লু, কিন্তু তার সঙ্গে নীল রঙের কোনও ওতপ্রোত সম্পর্ক নেই। কোনও মাসে যদি দু’বার পূর্ণিমা হয়, তাহলে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে ওই নামে ডাকা হয়। দেখতে অবশ্য সেই চাঁদের সঙ্গে অন্য পূর্ণিমার চাঁদের কোনও পার্থক্য নেই। তবে আগেই বলা হয়েছে, কখনও সখনও ধূলিকণা, কুয়াশা কিংবা আগ্নেয়গিরির ছাই বাতাসে মিশলে সেই চাঁদকে কিছুটা নীলচে দেখায় বটে। তবে তা যে মাসের দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদই হবে, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। ব্লু মুন আরও একটা ক্ষেত্রে বলা হয়। একটা মরশুমে যদি চারবার এমন চাঁদ আকাশে দেখা যায়, তাহলে তার প্রথমটির নাম দেওয়া হয় ব্লু মুন।
আরও পড়ুন:
আসলে এই চাঁদ নামেই ব্লু, কিন্তু তার সঙ্গে নীল রঙের কোনও ওতপ্রোত সম্পর্ক নেই। কোনও মাসে যদি দু’বার পূর্ণিমা হয়, তাহলে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে ওই নামে ডাকা হয়। দেখতে অবশ্য সেই চাঁদের সঙ্গে অন্য পূর্ণিমার চাঁদের কোনও পার্থক্য নেই।
মজার কথা, এই নামকরণের নেপথ্যে আলাদা কোনও কারণ নেই। ১৯৫৬ সালে এক নামজাদা মহাকাশ বিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি লেখায় এই শব্দটি ব্যবহৃত হবে।
এবারের ব্লু মুন ভারত থেকে দেখা যাবে ৩১ মে। তবে সেই সময় এদেশে দুপুর। কেননা ২টো ১৫ মিনিটে চাঁদ সম্পূর্ণ গোলাকার চেহারা ধারণ করবে। তবে তখন দেখা না গেলেও বিকেলের পর থেকেই আকাশে দৃশ্যমান হবে ‘রুপোর থালা’।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?