Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নদীর জল লালচে

সুমেরুতে নদীর জল লালচে! অশনি সংকেত পেয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের

এমন ঘটনায় দেরিতে টনক নড়ল কেন, স্থানীয় প্রশাসনের উপর ক্ষিপ্ত পুতিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১৫:৪৯

options
link
সুমেরুতে নদীর জল লালচে! অশনি সংকেত পেয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আচমকাই রক্তাভ সুমেরু প্রদেশের একাংশ। নদীর জল লালচে বেগুনি। সাতসকালে নদীর এই রক্তবর্ণ রূপ দেখে চমকে গিয়েছিলেন মানুষজন। কিছুক্ষণ পর তথ্যতালাশ করে দেখা গেল, সাইবেরিয়ান এলাকায় একটি ধাতব কারখানা থেকে প্রচুর পরিমাণ ডিজেল লিক করে নদীতে মিশে এমন বর্ণ ধারণ করেছে। খবর কানে পৌঁছনো মাত্র বড়সড় বিপদের আশঙ্কায় ওই এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সূত্রের খবর, এমন একটি ঘটনার পর দেরিতে সচেতন হওয়ায় কর্তৃপক্ষের উপর বেজায় চটেছেন প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়ার উত্তরের শহর নরিলস্ক। এখানেই রয়েছে নরিলস্ক নিকেল নামে একটি প্ল্যান্ট, যা বিশ্বে নিকেল এবং প্যালাডিয়াম উৎপাদনের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। সেখানেই একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কার লিক করে প্রচুর পরিমাণ ডিজেল সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে বলে খবর। ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকদিন আগে। দীর্ঘ সময় পর তা কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েছে। তারপরও তারা বুঝতে পারছিলেন না, কী করা উচিত। তাদের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা নিয়েই ইতিমধ্যে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শতাব্দী প্রাচীন বৌদ্ধ নিদর্শন ধ্বংস পাক অধীকৃত কাশ্মীরে, তীব্র নিন্দা ভারতের]

নরিলক্স এলাকার অন্তত দুটি নদীর রক্তবর্ণ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। এলাকার গভর্নর আলেকজান্ডার উস এ নিয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রবিবার। এরপর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুতিন নিজে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা করেন। সংস্থার প্রধান সের্গেই লিপিনকে তিনি সরাসরি প্রশ্ন করেছেন, ”সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি দেখে কি দুর্ঘটনার কথা জানতে হবে? দু’দিন ধরে কর্তৃপক্ষ কী করছিল? কী ঘটেছে তা বুঝতে এত সময় লাগল কেন?” তিনি ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: বাড়ল সংঘাত, এবার চিনা বিমান প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল আমেরিকা]

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ট্যাঙ্কার লিক করা ডিজেল ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে ৩৫৯ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে। তা পরিষ্কারের কাজে বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে সাইবেরিয়ান এলাকায়। তবে পরিবেশবিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, ডিজেল মিশে এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ এতটাই বিষাক্ত করে তুলেছে তার পরিষ্কারের মাধ্যমে দূষণ রুখে দেওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। এতে নদী এবং সংলগ্ন এলাকার বড় ক্ষতি হয়ে গেল বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন বেশিরভাগ পরিবেশবিদ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.