Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Asteroid

খোঁজ মিলল সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহাণুর! অবিশ্বাস্য গতি দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

দ্রুত পাক খেতে খেতে কি পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে পারে এই গ্রহাণু?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২১, ১৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২১, ১৯:২৪

options
link
খোঁজ মিলল সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহাণুর! অবিশ্বাস্য গতি দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রহাণু বললেই মনে পড়ে প্রাগৈতিহাসিক কালে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়া আগুনের গোলার কথা। দুনিয়া থেকে চিরতরে ডাইনোসরদের মুছে দেওয়ার কারণে ‘ভিলেন’ হিসেবেই তার পরিচিতি। কিন্তু গ্রহাণুকে কেবল এইটুকুর মধ্যে বেঁধে রাখা ঠিক নয়। বিজ্ঞানীদের কাছে কিন্তু গ্রহাণুদের গুরুত্ব অপরিসীম। সৌরজগতের জন্মের সময়ই তৈরি হওয়া পাথরের এই টুকরোগুলিতেই ধরা রয়েছে সূর্যের পরিবারের ইতিহাসের নানা চিহ্ন। এবার আবিষ্কার হল সৌরজগতের (Solar system) দ্রুততম গ্রহাণু। তার গতি এত বেশি মাত্র ১১৩ দিনেই সে পাক খেতে পারে সূর্যকে (Sun)।

স্বাভাবিক ভাবেই আশঙ্কা তৈরি হতে পারে, এত দ্রুত পাক খেতে খেতে কি পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে পারে এই গ্রহাণু? স্বস্তির খবর হল, আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গিয়েছে। গ্রহাণুটির নাম 2021 PH27। সূর্যকে সবথেকে দ্রুত পাক খেতে পারে বুধ। মাত্র ৮৮ দিনেই বুধের একেক বছর। কিন্তু বুধকে বাদ দিলে এই নব আবিষ্কৃত গ্রহাণুই সবচেয়ে দ্রুত সূর্যকে পাক খেতে পারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মহাকাশে ফের সচল নাসার হাবল টেলিস্কোপ, পাঠাল ‘গয়নার মতো’ ঝলমলে ছায়াপথের ছবি]

এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূর্যের সঙ্গে তার দূরত্বও। খুব কাছে থাকার ফলে এটির তাপমাত্রা ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রাথমিক ভাবে ১ কিমি চওড়া এই গ্রহাণুটি মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে থাকলেও পরে বিভিন্ন গ্রহের মহাকর্ষের ধাক্কায় সেটি সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।

এই গ্রহাণুটি আবিষ্কার করেছেন ‘কার্নেগি ইনস্টিটিউশন অফ সায়েন্স’-এর বিজ্ঞানী এস শেফার্ড। ডার্ক এনার্জি ক্যামেরা ব্যবহার করে ওই গ্রহাণুটি খুঁজে পেয়েছেন তিনি।
আপাতত ওই গ্রহাণুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখতে চান বিজ্ঞানীরা। তবে এখনই তা সম্ভব নয়। ঘুরপাক খেতে গিয়ে সেটি পৃথিবীর চোখের আড়ালে রয়েছে। ফের আগামী বছর দেখা যাবে সেটিকে। প্রসঙ্গত, কেবল এই গ্রহাণুটিই নয়, পৃথিবীর আশপাশে যত গ্রহাণু রয়েছে তাদের নিয়মিত নিরীক্ষণ করাই লক্ষ্য বিজ্ঞানীদের।

[আরও পড়ুন: জলবায়ুর সংকটের ধাক্কায় বড় বিপদের মুখে ভারতের শিশুরা! চাঞ্চল্যকর দাবি UNICEF-এর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.