Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
International Space Station

জমিয়ে পেটপুজো! শুভাংশুর গাজরের হালুয়া খেয়ে আঙুল চাটছেন স্পেস স্টেশনের নভোচারীরা

কাজ শেষ করে ১৪ জুলাই স্পেস স্টেশন থেকে ফিরবেন অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশনের সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৫, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৫, ১৮:২৯

options
link
জমিয়ে পেটপুজো! শুভাংশুর গাজরের হালুয়া খেয়ে আঙুল চাটছেন স্পেস স্টেশনের নভোচারীরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৪ দিনের কঠিন আর ঝুঁকিপূ্র্ণ মিশন। পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে ভেসে যাওয়া, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ঘাঁটি গেড়ে গবেষণার কাজকর্ম – এসব সহজ নয় মোটেও। বিশেষ প্রশিক্ষণ লাগে। বিপদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নিতে হয়। সেসব করেই অবশ্য আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা ও ইসরোর যৌথ উদ্যোগে অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা, অভিজ্ঞ মহাকাশচারী পেগি হুইটসন ও অন্যান্য মহাকাশচারীরা। শুধু কি কাজ? মোটেই নয়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে সেখানে যে জমিয়ে পেটপুজো চলছে, তার ভিডিও প্রকাশ্যে এল। দেখা গেল, শুভাংশুর নিয়ে যাওয়া খাঁটি ভারতীয় খাবারদাবার দিয়েই রীতিমতো পার্টি চলছে সেখানে!

সম্প্রতি শুভাংশুই স্পেস স্টেশনে নিজেদের সময় কাটানোর একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। তা খাওয়াদাওয়ার। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, টেবিলে গাজরের হালুয়া সাজিয়ে চারপাশে গোল হয়ে বসেছেন সব নভোচারী। শুভাংশুর নিয়ে যাওয়া সেই খাবার খাচ্ছেন তাঁরা। মুখে চওড়া হাসি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, দেশি গাজরের হালুয়া, মুগডালের হালুয়ার স্বাদে একেবারে বুঁদ শুভাংশুর বিদেশি সহকর্মীরা। আসলে ফেরার দিন সামনে। তাই কাজের ফাঁকে পেটপুজোতেও মন দিয়েছেন নভোচারীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে স্পেস স্টেশন বা মহাকাশ মিশনে নভোচারীদের খাবারের মেনু সেই একঘেঁয়ে। সহজপাচ্য শ্রিম্প ককটেল, চিকেন এবং ক্যালোরির জন্য টমেটো স্যুপের মতো কিছু। ব্যতিক্রম ঘটেছে অ্যাক্সিয়ম-৪ মিশনে। ইসরো, নাসা বিশেষভাবে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নিয়ে সহজ উপকরণ দিয়ে সুস্বাদু খাবার পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। রয়েছে চিকেনের মশলাদার পদ, চকো পুডিংয়ের মতো জিভে জল আনা খাবার। আর ভারতীয় নভোচারী শুভাংশু শুক্লা সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন বাড়ির তৈরি গাজরের হালুয়া, মুগডালের হালুয়া। সেসব খাবার খেয়ে রীতিমতো আঙুল চাটছেন সকলে! সাধে কি বলে, ‘বাসনার সেরা বাসা রসনায়’? তা সে বাড়ির খাবার হোক বা রেস্তরাঁয় অথবা মহাশূন্যে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.