Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
স্পেসওয়াক

প্রথম মহিলা টিমের সদস্য হিসেবে মহাকাশে ‘স্পেসওয়াক’, ইতিহাস দুই নভোশ্চরের

ভিডিওতে দেখুন নজির সৃষ্টিকারী সেই ঘটনার দৃশ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০১৯, ১৮:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০১৯, ১৮:১৬

options
link
প্রথম মহিলা টিমের সদস্য হিসেবে মহাকাশে ‘স্পেসওয়াক’, ইতিহাস দুই নভোশ্চরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এতদিন পুরুষদের সঙ্গে স্পেসওয়াকে অংশ নিলেও কোনওদিন মহিলারা একা একা পা ফেলেননি মহাকাশে। এবার সেই বৈষম্যও দূর করল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। শনিবার তাদের দুই নভোশ্চর ক্রিস্টিনা কোচ ও জেসিকা মেয়ার প্রথম মহিলা দলের সদস্য হিসেবে স্পেস স্টেশনের বাইরে পা ফেলতেই তৈরি হল নতুন নজির। সেই দৃশ্যের আবার লাইভ স্ট্রিমিং করল নাসা। আর এই ঘটনার পরেই টুইট করে দুই মহাকাশচারীকে অভিনন্দন জানালেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প।

[আরও পড়ুন: পরিবেশ বাঁচাতে উদ্যোগ, প্লাস্টিকের জবার বদলে এবারের কালীপুজোয় কাপড়ের ফুল]

মহাকাশে থাকা বাসযোগ্য কৃত্রিম উপগ্রহে গবেষণা করেন নভোশ্চররা। কোনও কারণে ওই উপগ্রহে থাকা যন্ত্র খারাপ হলে তাঁদেরই সারাতে হয়। স্পেস স্টেশনের বাইরে গিয়ে সেগুলি ঠিক করতে হয়। এর আগে মোট ২২০ বার হওয়া স্পেসওয়াকে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গেই অংশ নিয়েছিলেন মহিলা নভোশ্চররা। কিন্তু, এই প্রথম শুধুমাত্র মেয়েদের ‘স্পেসওয়াক’ হল। ক্রিস্টিনা কোচ এই নিয়ে মোট চারবার মহাকাশে পদচারণা
করলেও জেসিকা মেয়ার এই প্রথম সুযোগ পেলেন। আর এর ফলে সমগ্র বিশ্বের ১৫ তম ও আমেরিকার ১৪ তম মহিলা হিসেবে এই অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চন্দ্রযানের তোলা চাঁদের প্রথম উজ্জ্বল ছবি প্রকাশ করল ইসরো]

বিষয়টির সূত্রপাত হয় নাসার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে থাকা ব্যাটারি চার্জারের একাংশ বিকল হওয়ার জেরে। এটি ঠিক করার জন্য ওই স্পেস সেন্টারে থাকা দুই নভোশ্চরকে বাইরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। আর সেসময় সাত মাস আগে নেওয়া একটি পরিকল্পনা বাস্তব করার কথা ভাবে নাসা। শুধুমাত্র মহিলাদের দিয়ে স্পেসওয়াক করিয়ে ব্যাটারি চার্জারের ত্রুটি ঠিক করার সিদ্ধান্ত নেয়। মার্কিন সময় শুক্রবার সকাল আটটা নাগাদ সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী স্পেস স্টেশনের বাইরে মহাকাশে পা রাখেন দুই কন্যা। আর ৬ ঘণ্টা পনেরো মিনিট ধরে কাজ করে যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক করেন। তাঁরা যখন মহাশূন্যে থাকা চার্জারটি সারাচ্ছিলেন তখন স্পেস স্টেশনের কন্ট্রোল রুম থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন আরেক একজন মহিলা নভোশ্চর স্টেফনি উইলসন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.