Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

৪৮টা দেশ নিয়ে কাতার বিশ্বকাপের ভাবনায় ফিফা

এমনই ইঙ্গিত ফিফার প্রেসিডেন্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১৭:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১৭:২৮

options
link
৪৮টা দেশ নিয়ে কাতার বিশ্বকাপের ভাবনায় ফিফা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ নয়। ফিফার লক্ষ্য সামনের বিশ্বকাপ। যেখানে ৪৮টা দলকে নিয়ে ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরু করা। এমনই বক্তব্য রাখলেন অন্য কেউ নন, স্বয়ং ফিফার প্রেসিডেন্ট গিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো।

২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮টা দলকে নিয়ে যে হবে তা আগেই ঘোষণা করে দিয়েছে ফিফা। ইনফ্যান্তিনো জানিয়ে দিলেন ২০২৬ নয়, সামনে কাতার বিশ্বকাপেই ৪৮টা দলকে নিয়েই ফুটবলের মহাযজ্ঞ করা যায় কি না তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়ে গিয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জুন মাসের আগেই জানিয়ে দেবে ফিফা। যেহেতু জুন মাসের মধ্যে শুরু হয়ে যাবে বিশ্বকাপের যোগ্যতা পর্বের খেলা। “২০২৬ বিশ্বকাপ যে ৪৮টা দলকে নিয়ে হবে, তা আমরা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু ২০২২-এ সেই চেষ্টা করব না কেন?” রোমে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন ইনফ্যান্তিনো। তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন পুরো ব্যাপারটাকে নিয়ে খতিয়ে দেখছি। সমস্যাটা হয়েছে কাতারের মতো ছোট দেশ। যেখানে ৪৮টা দলকে নিয়ে সত্যিই বিশ্বকাপ করা কঠিন। ভৌগোলিক দিক দিয়ে তাই প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। কাতার খুব ছোট দেশ। যেখানে অতিরিক্ত ১৬টা দলকে রাখা বা তাদের ফ্যানদের জায়গা দেওয়া সহজ কথা নয়। সেইজন্যই পুরো বিষয়টা নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে। সেইজন্য আমরা চেষ্টা করছি, যদি পার্শ্ববর্তী দেশে সামনের বিশ্বকাপের কিছু খেলা ছড়িয়ে দেওয়া যায় কি না।”

Advertisement

[রিয়েল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে জয়, লিগের আশা জিইয়ে রাখল ইস্টবেঙ্গল]

কাতারের পার্শ্ববর্তী দেশ বলতে বোঝায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও বাহরিন। মজার ঘটনা হল, কাতারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সম্পর্ক মোটেই ভাল নয়। তাই কাতারও যেমন চাইবে না তাদের বিশ্বকাপের কিছু খেলা পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাক। পাশাপাশি বাহরিন, আমিরশাহিরাও চাইবে না কিছু ম্যাচ নিজেদের দেশে করতে। ইনফ্যান্তিনো তাই বাস্তব পরিস্থিতি স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি সত্যিই খুব জটিল। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তাহলে কোনওকিছুই অসম্ভব বলে মনে করি না। আসলে আমাকে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা নিতে হবে কাতারের মতামত।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.