Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

সোনাজয়ী সিন্ধুকে দশ লক্ষ টাকা পুরস্কার ব্যাডমিন্টন সংস্থার

গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকেই সেরার শিরোপা মাথায় তোলেন সিন্ধু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮, ১৩:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮, ১৩:৩১

options
link
সোনাজয়ী সিন্ধুকে দশ লক্ষ টাকা পুরস্কার ব্যাডমিন্টন সংস্থার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তীরে এসে প্রতিবারই ডুবছিল তরী। রুপো পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছিল পি ভি সিন্ধুকে। দীর্ঘদিন পর নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে রুপোলি পদককে সোনার পরিণত করেছেন তিনি। আর তাই তাঁকে বিশেষ সম্মান জানাচ্ছে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন সংস্থা।

চিনের গুয়ানঝাউয়ে প্রথমবার বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালসে চ্যাম্পিয়ন হলেন সিন্ধু। রবিবার মহিলা সিঙ্গলসের ফাইনালে জাপানি প্রতিপক্ষ নজোমি ওকুহারাকে স্ট্রেট গেমে উড়িয়ে দিয়ে সোনা জেতেন হায়দরাবাদি কন্যা। আর সেই সঙ্গেই ভারতীয় শাটলার হিসেবে ইতিহাসে ওঠে তাঁর নাম। সিন্ধুর এমন কৃতিত্বে মুগ্ধ গোটা দেশ। মুগ্ধ ভারতের ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনও (বাই)। সেই কারণেই পুরস্কার হিসেবে দশ লক্ষ টাকা তারকা শাটলারের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থা। সিন্ধুর পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পৌঁছনো আরেক ভারতীয় সমীর বর্মাকেও তিন লক্ষ পুরস্কার অর্থ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

Advertisement

[ডার্বিতে রেফারির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মোহনবাগানের]

বাইয়ের প্রেসিডেন্ট হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “বছর শেষে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে দারুণ সাফল্য এল। ইতিহাস গড়ে ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সিন্ধু। সমীর ও সিন্ধু উভয়কেই সংস্থার সকলের তরফ থেকে অনেক শুভেচ্ছা।”

গতবারও এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছিলেন সিন্ধু। কিন্তু সেখানে আরেক জাপানি ইয়ামাগুচির কাছে পরাস্ত হন তিনি। তবে এবার আর কোনও ভুল করেননি। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যে ওকুহারার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল, তাঁকেই মাটি ধরিয়ে বছরটা দুর্দান্তভাবে শেষ করলেন অলিম্পিকে রুপোজয়ী তারকা। গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকেই সেরার শিরোপা মাথায় তোলেন তিনি। ম্যাচ শেষে বলছিলেন, “এই মঞ্চে প্রথমবার সোনা জিতলাম। ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। সাধারণত জয়ের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কোনও খেলোয়াড়। আমি ভাবতে পারছিলাম না কী করব। তাই হাঁটু গেড়ে বসে পড়ি। এমনকী ওকুহারার সঙ্গে হাতও মেলাইনি। আম্পায়ার বলায় মনে পড়ে। তবে ওকুহারা নিজে থেকে এসেই হাত মেলায়। চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি।” অন্যদিকে, প্রথমবার টুর্নামেন্টের শেষচারে পৌঁছে গিয়েছিলেন সমীর বর্মা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.