Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

বিনীতের জোড়া গোলে ফেড কাপ হাতছাড়া মোহনবাগানের

তা সত্ত্বেও হাজার হাজার সবুজ-মেরুন সমর্থকদের সামনে বেঙ্গালুরু যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে লড়াই করল, তা প্রশংসনীয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৭, ০৭:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৭, ০৭:৩০

options
link
বিনীতের জোড়া গোলে ফেড কাপ হাতছাড়া মোহনবাগানের zoom

মোহনবাগান: ০

বেঙ্গালুরু এফসি: ২ (বিনীত) [ এক্সট্রা টাইম ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু’বছর আগের কান্তিরাভার স্মৃতি ফিরেছিল রবিবারের বারাবটি স্টেডিয়ামে। সেবার বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ পয়েন্ট। সেই মূল্যবান পয়েন্টটি এনে দিয়েছিলেন বেলো রজ্জাক। আর তাতেই দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে গঙ্গাপারের তাঁবুতে এসেছিল আই লিগ। বারাবটিতে ফেড কাপের ফাইনালে বেঙ্গালুরুকে হারানো ছিল লক্ষ্য। ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে দলকে ট্রফি এনে দিতেই মাঠে নেমেছিলেন সোনি নর্ডিরা।কিন্তু তেমনটা হল না। উল্টে এএফসি কাপে সদ্য হারের বদলা নিল বেঙ্গালুরু। পরিবর্ত হিসেবে নামা সি কে বিনীত এক্সট্রা টাইমে জোড়া গোল করে দ্বিতীয়বার ফেড কাপ চ্যাম্পিয়ন করে দিলেন বেঙ্গালুরুকে।

এদিনের খেলাকে দুই দলের মধ্যে লড়াই না বলে বলা ভাল বেঙ্গালুরু ডিফেন্স বনাম বাগান ফরোয়ার্ডের লড়াই। সন্দেশ ঝিঙ্গন, হরমোনজ্যোৎ খাবরারা এমনভাবে ডাফি ও সোনিকে মার্ক করে রাখলেন যে, নড়াচড়া করার জায়গাই পেলেন না তাঁরা। তার মধ্যেই মাথা গরম করে হলুদ কার্ড দেখে বসেন হাইতিয়ান স্ট্রাইকার। তা সত্ত্বেও ডিফেন্ডারদের বাধা টপকে অনেকটা নিচে নেমে এসে বিপক্ষকে চাপে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেলেন তিনি। কিন্তু বাগানের অচল মাঝমাঠ খেলার গতিকে বাড়তেই দিল না। ৩০ মিনিটে সোনির কর্নার থেকে দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন বলবন্ত। কিন্তু ব্যর্থ হন।

[৫ দিনের মাথায় ফের এভারেস্ট জয় অরুণাচলের পর্বতারোহী আনশুর]

শুরুতে বাঁ-দিকের উইংকে একেবারেই কাজে লাগাতে পারলেন না কাটসুমিরা। আর সেই সুযোগেই বাগানের ডেরায় আক্রমণ হানে বেঙ্গালুরু। তবে সুযোগ যা তৈরি হল, বেশিরভাগই সেটপিসে। প্রথমার্থে কর্নার কিককে কাজে লাগিয়ে একটি গোল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি। ফ্রিকিককে কাজে লাগিয়ে। কিন্তু বেঙ্গালুরুর দু’টি গোলই অফসাইডের কারণে বাতিল করে দিলেন রেফারি। ৫৭ মিনিটে গোলকিপার দেবজিৎ এগিয়ে আসায় ফাঁকা গোলে দুরন্ত চিপে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন উদান্ত সিং। কিন্তু অল্পের জন্য গোলপোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায় বল। ফাইনাল ম্যাচে তিন-তিনবার লাইফলাইন পাওয়া তো কম সৌভাগ্যের নয়। তারপরও বাগানের আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ল না। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তিন-তিনটে কর্নার কিকও কাজে এল না। সোনির কর্নার থেকে বলবন্তের বাড়ানো বলে জেজের হেডারে  ফেড কাপের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যেতে পারত। কিন্তু গোলমুখই খুলল না। ম্যাচ গড়ায় এক্সট্রা টাইমে। আর সেখানেই সাফল্য পেল বেঙ্গালুরু। বিনীতের গোলেই নিশ্চিত হয়ে গেল বেঙ্গালুরুর ফেড কাপ জয়।

[কোন ইতালিকে হারাল ভারতের খুদেরা! উঠছে প্রশ্ন]

এদিন বলবন্ত ও ডাফিকে সামনে রেখে ৪-৪-২ ছকে দল নামিয়েছিলেন কোচ সঞ্জয় সেন। তবে শুরু থেকেই বাগানের খেলায় নির্দিষ্ট স্ট্র্যাটেজির অভাব চোখে পড়ছিল। কার কী দায়িত্ব, বোঝাই গেল না। বেশ ছন্নছাড়া দেখাল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। তার উপর শুভাশিসের অদ্ভুত ধীর গতি ফাইনাল ম্যাচের উত্তেজনাকে আরও ঝিমিয়ে দিল। এত সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত দিতে হল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। তীরে এসে তরী ডুবল। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে ব্যর্থ সোনিরা। শূন্য হাতেই মরশুম শেষ করলেন সঞ্জয় সেন। অ্যালবার্ট রোকার দলের প্রধান অস্ত্র সুনীল ছেত্রী চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন। তা সত্ত্বেও হাজার হাজার সবুজ-মেরুন সমর্থকদের সামনে বেঙ্গালুরু যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে লড়াই করে জিতল, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.