Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

ঘরের মাঠে লজ্জার আত্মসমর্পণ এটিকের, দশ জনের বেঙ্গালুরুর কাছে বিশ্রী হার

বছর ঘুরতেই চ্যাম্পিয়নদের এমন শনির দশা চোখে দেখা যাচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ২১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ২১:৫৯

options
link
ঘরের মাঠে লজ্জার আত্মসমর্পণ এটিকের, দশ জনের বেঙ্গালুরুর কাছে বিশ্রী হার zoom

এটিকে- ০

বেঙ্গালুরু এফসি- ২ (জর্ডি আত্মঘাতী, মিকু)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের একটা ম্যাচ। ফের গোল খরা। ফের হার। ঘরের মাঠে দশ জনের বেঙ্গালুরুর কাছে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেল ওয়েস্টউডের এটিকে। দিশাহীন ফুটবলে আরও আঁধারে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজি। এমনই দিশাহীন যে আত্মঘাতী গোল করে ফেললেন এটিকের জর্ডি। ম্যাচের শেষ লগ্নে বেঙ্গালুরু এফসির মিকুর অনবদ্য গোলে যুবভারতীতে ধরাশায়ী এটিকে। খেলার ফল যদিও সুনীল ছেত্রীদের পক্ষে ২-০। তবে ভাগ্যদেবী সহায় থাকলে আরও গোল হত তাদের। ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিট কলকাতার ডিফেন্স বলে কিছু ছিল না। টিমের হতশ্রী পারফরম্যান্সের ভাইরাস সংক্রমণ যেন গোলকিপার দেবজিতেরও লেগে গিয়েছে মনে হল। নাহলে দ্বিতীয় গোলটি খেতেন না। এটিকের জন্য একটাই আশার আলো, সমর্থকরা এখনও মুখ ফেরায়নি তাদের থেকে। টিকিট কেটে খেলা দেখতে এখনও কিছু লোক আসছেন মাঠে।

শনিবার ম্যাচের ৩ মিনিট গড়িয়েছে সবে। এটিকের জর্ডির আত্মঘাতী গোল। ডিফেন্সে তিনি ঠিক কী কাজে রয়েছেন বোঝা গেল না কিছু। তারপর সারাক্ষণ বল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করলেন জয়েশ রাণে, বিপিন সিংরা। নিস্ফলা আক্রমণ থেকে গোলও এল না। দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত হিসাবে নামানো হয় এটিকের এই মরশুমের মার্কি ফুটবলার বিশ্ব বিখ্যাত রবি কিনকে। কিন্তু তিনিও এই ৩৮ বছর বয়সে আর কী বা করবেন! সোনালি সময়ের ধারেকাছেও নেই তিনি। ম্যাচের ৭০ মিনিটে জোড়া হলুদ কার্ডের জন্য লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বেঙ্গালুরুর রাহুল ভেকে। তারপর ২০ মিনিট দশ জনের প্রতিপক্ষকে পেয়েও কিচুই করতে পারলেন না কিনরা। কোথায় বেঙ্গালুরুর রক্ষণে ঝড় তুলবে এটিকে তা না ম্যাচের ৮৩ মিনিটে রীতিমতো ফাঁকা ডিফেন্সের জেরে গোল খেল তারা। গোলদাতা মিকু। তারপর আরও কিছু আক্রমণ হয় এটিকের বক্সে। কিন্তু ভাগ্যদেবী আজ সুনীলদের উপর অতটা সহায় ছিলেন না। নাহলে ঘরের মাঠে আরও লজ্জা মাথায় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হত দেবজিতদের। বছর ঘুরতেই চ্যাম্পিয়নদের এমন শনির দশা চোখে দেখা যাচ্ছে না। ধীরে ধীরে অতলে হারিয়ে যাচ্ছে দুবারের চ্যাম্পিয়ন দল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.