Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

ব্র্যাভোর বিশ্বস্ত হাতে রোনাল্ডোদের স্বপ্নভঙ্গ, কনফেড ফাইনালে চিলি

টাইব্রেকারে টানা ৩টি শট বাঁচিয়ে নায়ক চিলির গোলকিপার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০১৭, ০৫:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০১৭, ০৫:৫৬

options
link
ব্র্যাভোর বিশ্বস্ত হাতে রোনাল্ডোদের স্বপ্নভঙ্গ, কনফেড ফাইনালে চিলি zoom

পর্তুগাল- ০ (০)

চিলি- ০ (৩)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

টাইব্রেকারে জয়ী চিলি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যেন কোপা আমেরিকার ফাইনালের রিপ্লে। ১২০ মিনিট নিষ্ফলা। ঘর সামলে আক্রমণ। গোল মুখ খুলতে না পারা। শেষপর্যন্ত টাইব্রেকার। সেখানে ক্লদিও ব্র্যাভো একাই হারিয়ে দিলেন রোনাল্ডোর পর্তুগালকে। তিনটি শট রুখে দিয়ে নায়ক বনে গেলেন ব্র্যাভো। পাশাপাশি টাইব্রেকারে চিলির তিন ফুটবলারও নিখুঁত ছিলেন। প্রথমবার কনফেডারেশনে কাপে ফাইনালে গেল চিলি।

[এ কী করলেন অ্যালিস্টার কুক? এমন ক্ষিপ্রতাও সম্ভব!]

ব্র্যাভোর বিশ্বস্ত দুটি হাতে রোনাল্ডোদের স্বপ্নভঙ্গ। সেমিফাইনালেই শেষ হয়ে গেল রোনাল্ডাদের কনফেডারেশন কাপের চ্যালেঞ্জ। অথচ এই মরসুমে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন সি আর সেভেন। পেয়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লা লিগা। এবারই প্রথম অধরা ইউরো কাপ এসেছিল রোনাল্ডোর হাতে। ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য কনফেডারেশন কাপ জেতার সুযোগ এসেছিল পর্তুগিজ মহাতারকরা। গ্রুপ লিগেও ছিলেন মেজাজে। দুটি গোল করেছিলেন। একটি করিয়েছিলেন। সেমিফাইনালের আগে রোনাল্ডোকে পাত্তাই দেননি চিলির তারকা ভিদাল। সেমিফাইনালে দুই তারকা তেমন ফর্মে ছিলেন না। ৫৯ মিনিটে প্রথম রোনাল্ডাকে পেনাল্টি বক্সে হানা দিতে দেখা যায়। ম্যাচের অধিকাংশ সময় সিআর সেভেনকে জার্সি টেনে, চোরাগোপ্তা পা চালিয়ে তার ছন্দটাই নষ্ট করে দিয়েছিলেন চিলির ডিফেন্ডাররা। অতিরিক্ত সময়ে ভিদালের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। চিলির আর এক তুরুপের তাস তুরুপের তাস অ্যালেক্সি স্যাঞ্চেজও তেমন মেজাজে ছিলেন না। পেপে না থাকায় শেষের দিকে চাপে পড়ে গিয়েছিল পর্তুগাল ডিফেন্স।

[নগ্ন ছবিতে নেটদুনিয়ায় সাড়া ফেললেন গর্ভবতী সেরেনা]

ম্যাচের আসল লড়াই ছিল ১২০ মিনিটের পর। টাইব্রেকারে একাই পর্তুগালকে শেষ করে দেন ক্লদিও ব্র্যাভো। চিলির এই গোলকিপার পরপর তিনটি শট বাঁচান। একশো শতাংশ সাফল্য। রিকার্ডো, মৌতিনহো এবং নানির শট রুখে দিয়ে চিলিকে ফাইনালে তুললেন ব্র্যাভো। রিকার্ডো এবং মৌতিনহোর শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান চিলির গোলকিপার। নানিকে ডান দিকে মারতে বাধ্য করেন। ব্র্যাভো এক্ষেত্রেও ত্রাতা। অন্যদিকে চিলির  ভিদাল, সাঞ্চেজরা টাইব্রেকারে নিখুঁত ছিলেন। ম্যাচের আগে পর্তুগিজ কোচ ফার্নান্দো স্যান্টোস জানিয়েছিলেন, ক্লান্তি তাঁর দলের সবথেকে বড় প্রতিপক্ষ। ১২০ মিনিটে দেখা গেল পর্তুগিজ কোচের পর্যবেক্ষণ ভুল ছিল না। ২০১৫ এবং ২০১৬র কোপা আমেরিকায় ব্র্যাভো একাই চিলিকে টেনেছিলেন। কনফেড কাপেও ব্র্যাভোর সেই মেজাজ বুঝিয়ে দিল বুঁফো, ন্যয়ারদের থেকে তিনি কম যান না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.