Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ডার্বির আগে স্বস্তি, এরিয়ানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী মোহনবাগান

সাত ম্যাচে মোহনবাগানের পয়েন্ট ১৯।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৮, ১৬:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৮, ১৬:৪৯

options
link
ডার্বির আগে স্বস্তি, এরিয়ানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী মোহনবাগান zoom

মোহনবাগান: ২ (শিল্টন, ডিকা)
এরিয়ান: ০

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মরশুমের প্রথম ডার্বির আগে সবুজ-মেরুন শিবিরের একটাই লক্ষ্য ছিল। এরিয়ানকে মাটি ধরিয়ে ফুটবলারদের মনোবল ধরে রাখা। তিন পয়েন্ট ঝুলিতে ভরে সে লক্ষ্য পূরণ হল ঠিকই, কিন্তু মোহনবাগানের খেলা এদিন বিশেষ মন ভরালো না।

Advertisement

[আফ্রিদির ‘বুমবুম’ ডাকনামটি দিয়েছিলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার!]

চলতি কলকাতা লিগে নজর কাড়তে পারছে না এরিয়ান। এমনকী জর্জের কাছেও হারতে হয়েছে রঘু নন্দীর দলকে। এমন অবস্থায় দুর্দান্ত ছন্দে থাকা সবুজ-মেরুন ব্রিগেড আক্রমণ আরও তীক্ষ্ণ করতেই পারত। কিন্তু ডার্বির আগে যেন সকলেই সাবধানী। চোট-আঘাত, ফাউল থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করলেন ফুটবলাররা। তবুও হলুদ কার্ড দেখে খানিকটা চিন্তায় ফেললেন ডিকা। তাছাড়া কল্যাণীর বড় মাঠে অপেক্ষাকৃত ছোট দলকে নাকানি-চোবানি খাওয়ানোর সুযোগও ছিল। কিন্তু সে পথে হাঁটলই না দল। তবে যে দুটি গোল হল, তা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাসী করে তুলল গোটা শিবিরকে। যে হেনরি এবং ডিকাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা ছিল বিপক্ষের কোচের, তাঁদের যুগলবন্দিতেই তছনছ হয়ে গেল এরিয়ান রক্ষণ। তাঁদের আটকানোর স্ট্র্যাটেজি তৈরি করেও ব্যর্থ দল। হেনরির ক্রস থেকে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করে দেন ডিকা। আর গোল করেই সেলিব্রেট করেন নিজের সন্তানের জন্য। ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য অরিজিতের কর্নার কিককে কাজে লাগিয়ে হেডারে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেওয়ার কাজটা সেরে রেখেছিলেন শিল্টন। তবে ম্যাচে জোড়া গোল হওয়ায় নিঃসন্দেহে স্বস্তি বাড়ল শংকরলাল  চক্রবর্তীর। কারণ গত ম্যাচ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গোল পার্থক্যে সমান ছিল মোহনবাগান। এ ম্যাচের পর তিন পয়েন্টের সঙ্গে এক গোলেও এগিয়ে গেল দল। সাত ম্যাচে মোহনবাগানের পয়েন্ট ১৯।

[এশিয়াডে দেশকে নবম সোনা দিলেন স্প্রিন্টার মনজিৎ সিং, তিরন্দাজিতে এল রুপো]

সবস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ। রিজার্ভ বেঞ্চও ঝালিয়ে নিয়েছেন বাগান কোচ। এবার পালা ডার্বির। বড় ম্যাচে কোনওরকম ভুল করতে চান না তিনি। কলকাতা লিগে আট বছরের ট্রফি খরা কাটাতে মরিয়া গঙ্গাপারের ক্লাব। আর ডার্বিই যে একপ্রকার লিগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে, তা বলা যেতেই পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.