Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

শক্তিশালী পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে ডিকা-হেনরি জুটিতেই ভরসা মোহনবাগানের

পিয়ারলেসকে সমীহ করছেন বাগান কোচ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৮, ১২:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৮, ১২:৪৯

options
link
শক্তিশালী পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে ডিকা-হেনরি জুটিতেই ভরসা মোহনবাগানের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিকা-হেনরি জুটিকে শক্ত বাঁধনের মধ্যে ধরে রাখতে চাইছেন শঙ্করলাল চক্রবর্তী। মোহনবাগান কোচ মনে করছেন, মসৃণতার মধ্যে এই জুটিকে যতটা নিয়ে আসা যাবে ততই লাভবান হবে সবুজ-মেরুন শিবির।

[স্বাধীনতা দিবসে ডিকা-কিংসলে যা করলেন, জানলে গর্বিত হবেন]

বৃহস্পতিবার মোহনবাগান মুখোমুখি হবে পিয়ারলেসের। যে দল কি না দুটো ম্যাচ ইতিমধ্যে জিতে বসে আছে। তার উপর পিয়ারলেস দলের কোচ হলেন বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য। ময়দানের পোড় খাওয়া কোচদের মধ্যে বিশ্বজিৎ থাকবেন সর্বাগ্রে। শুধু তাই নয়, এই দলে এমন কয়েকজন ফুটবলার আছেন যাঁদের সম্মান না জানিয়ে উপায় নেই। যেমন, স্ট্রাইকারে অ্যান্টনি উলফ, ক্রোমা, পঙ্কজ মৌলা, নরহরি শ্রেষ্ঠাদের মতো ফুটবলার। তাই মোহনবাগান কোচকে বলতে শোনা গেল, “আমাদের যথেষ্ট সতর্ক হয়ে খেলতে হবে। যে দলে অ্যান্টনি, পঙ্কজ, নরহরিদের মতো ফুটবলার রয়েছে, সেই দলকে সমীহ না করে উপায় নেই। সেই সঙ্গে আছে ক্রোমা। গত বছর আমরা ক্রোমাকে মরশুমের মাঝপথে ছেড়ে দিয়েছিলাম। তার মনে রাগ থাকা স্বাভাবিক। নিশ্চয়ই মনের মধ্যে পুষে রাখা যাবতীয় অভিমান হয়তো আমাদের বিরুদ্ধে উগরে দেবে। তাই পিয়ারলেসকে সত্যিই ভয় পাচ্ছি।”

Advertisement

মোহনবাগান ইতিমধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। জিতেছে তিনটিতেই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল সেখানে একটা ম্যাচে পয়েন্ট খুইয়ে বসে আছে। মানসিক দিক দিয়ে এটা কি স্বস্তির? প্রশ্নের জবাবে মোহনবাগান কোচ সোজাসাপটা জানিয়ে দিলেন, “স্বস্তি বা অস্বস্তির প্রসঙ্গ না তোলাই ভাল। এটা কোনও ব্যাপারই নয়। আমরা প্রত্যেকটি ম্যাচে সতর্কতার সঙ্গে নামতে চাইছি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই আমি চলতে চাই।”

[জাস্টিনের জোড়া গোলেই বাজিমাত, পাঠচক্রকে হারিয়ে জয়ের সরণিতে ইস্টবেঙ্গল]

স্বাধীনতা দিবসেও মোহনবাগান প্র‌্যাকটিসে কোনও খামতি রাখেনি। যথারীতি দলকে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ প্র‌্যাকটিস চালান শঙ্করলাল। প্র‌্যাকটিস দেখে মনে হল আজহার মনে হয় আজ শুরু থেকে নামবেন। গুরজিন্দর সম্ভবত প্রথম একাদশে থাকছেন না। মোহনবাগান ইতিমধ্যে তিনটি ম্যাচ জিতলেও কোনও খেলাতেই প্রথমার্ধে গোল পায়নি। এটা কি ভাবার বিষয় নয়? “একদমই নয়। বরং এটা দলের পক্ষে ইতিবাচক দিক। আমাদের স্লোগানই হল, কোনও মতেই গোল খাওয়া চলবে না। আমরা যখন খুশি গোল করতে পারি। আরও একটা দিক উল্লেখ করার মতো বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। দল কখনওই হতাশায় ভুগছে না। বরং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এতেই প্রমাণ হয় দল যথেষ্ট ফিট,” বলছিলেন শঙ্করলাল। মোহনবাগান কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিকা-হেনরি জুটি যত খেলবে ততই দলের মধ্যে সংঘবদ্ধতার ছাপ ক্রমশ ফুটে উঠবে। এই জুটি একমাত্র গত ম্যাচেই খেলেছে। তাই মোহনবাগন কোচ বলছিলেন, “ডিকা-হেনরি জুটি যখন ক্লিক করতে শুরু করবে তখন মোহনবাগানের গোল পেতে সমস্যা হবে না। এই জুটি কেবলমাত্র একটাই ম্যাচ খেলেছে। এদের শুধু একটু খেলতে দিন। তাহলেই দেখবেন দলের চেহারা পাল্টে গিয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.