সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজেদের মধ্যে হাসি-ঠাট্টা চলছে। পাস পাস খেলার মধ্যে কেউ ভুল করলেই তাঁকে সকলে জড়িয়ে ধরছে। শনিবার মোহনবাগানের দৃশ্য দেখে কে বলবে পরদিনই টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে খেলতে নামবে দল। তার চেয়েও বড় কথা, আগের ম্যাচে পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে পয়েন্ট খুইয়ে বসে আছে দল। রবিবার না জিতলে যাবতীয় বিতর্ক বিস্ফোরণের আকার নেবে। অথচ তার আগে কিনা গোটা শিবিরজুড়ে এমন ফুরফুরে মেজাজ?
[ফের ছন্দে কোহলি, মানসিকতা বদলেই ঘুরে দাঁড়াল টিম ইন্ডিয়া]
এমন হালকা মেজাজে থাকাটাই স্বাভাবিক। টালিগঞ্জ অগ্রগামী এখন অতীতের ঘিয়ের গন্ধে মশগুল। বর্তমান বড্ড ফিকে। এবার দু’টো ম্যাচ তারা খেলেছে। একটা পয়েন্টও পায়নি। অর্থাৎ হেরেছে। শোনা যাচ্ছে, রবিবার যদি ভাল কিছু না ঘটে তাহলে কোচ মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যকে নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হতে পারে। আসলে টালি কর্তাদের সাহস জোগাচ্ছে কামোর অন্তর্ভুক্তি। শনিবার তিনি সই করেছেন। যদিও প্র্যাকটিসে নামেননি। তাই মনোরঞ্জন ঠিক করে উঠতে পারেননি আদৌ কামোকে খেলাবেন কিনা। মনোরঞ্জন তো বলেই দিলেন, “বুঝে উঠতে পারছি না কী করব। কামো মাঠেই নামেনি। তারপর জেটল্যাগও আছে।” টালিগঞ্জ কোচ বুঝিয়ে দিলেন, মোহনবাগানের হেনরি-ডিকাকে নিয়েই তাঁর যাবতীয় চিন্তা। “মোহনবাগানের দু’টো প্লেয়ার হল আসল। ওদের ফরোয়ার্ড লাইন নিঃসন্দেহে ভাল। সেই দলকে নিয়ে আর নতুন করে বলার কী আছে।” অকপট স্বীকারোক্তি টালিগঞ্জ কোচের।
[ফের চমক, এবার নাইজেরিয়ার তারকা স্ট্রাইকারকে সই করাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল]
মোহনবাগান কোচ তিনটে ব্যাপারে চিন্তিত। কী? এক, দল নিয়মিত গোল পাচ্ছে না। দুই, দেরিতে গোল হচ্ছে। তিন, শেষ মুহূর্তে দল গোল খেয়ে যাচ্ছে। তাই শংকরলাল চক্রবর্তী বলেই দিলেন, “এই তিনটে দিক নিয়েই ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বারবার একটা কথা বুঝিয়েছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গোল পেতে হবে। নাহলে চলবে না। রেনবোর বিপক্ষে খেলা শেষের দিকে গোল খেলাম। জর্জের বিরুদ্ধেও হয়তো গোল হত। সেদিন গোলকিপার অসাধারণ দক্ষতায় বাঁচিয়ে দিয়েছিল। তারওপর পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে ম্যাচটা ড্র হল। এই ব্যাপারগুলো নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে।” গোলের জন্য হাপিত্যেশ করছেন শংকরলাল ঠিকই, কিন্তু রবিবার গোল পেতে দল আরও সমস্যায় পড়ে যাবে। কেন? “হেনরির খেলা নিয়ে সামান্য হলেও সংশয় রয়েছে। যেহেতু হেনরির শারীরিক সমস্যা বিশাল। শরীরে জল কমে গিয়েছে। তাই হেনরিকে খেলাব কিনা ম্যাচের আগে ঠিক করব। জিতেন মুর্মু, সুখদেবরা মাঠের বাইরে চলে গিয়েছে। সব মিলিয়ে সত্যিই সমস্যা। তবে পিয়ারলেসের কাছে আমরা পয়েন্ট খুইয়েছি। তাই যেভাবেই হোক না কেন টালিগঞ্জকে হারাতেই হবে।” বলছিলেন শংকরলাল। মোহনবাগান কোচ দারুন শ্রদ্ধা করেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। বলেও ফেললেন, “মনাদার সঙ্গে আড্ডা মারি। ফুটবলার শুধু নন, কোচ হিসাবেও তিনি অনেক বড় প্রমাণ করে দিয়েছেন। তাই টালিগঞ্জকে নিয়ে সত্যিই ভাবতে হচ্ছে।”
সর্বশেষ খবর
-
হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বক্তব্য ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’! গুরুত্ব দিতে নারাজ তারেকের সরকার
-
ডিমের ভয়! আলাদত চত্বরে লুঙ্গি তুলে দৌড় ধৃত তৃণমূল নেতার
-
তৃণমূলের বিরুদ্ধে গান গাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি! উদয়নের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শিল্পীর
-
মেয়র পদের পর খেলার মাঠও ছাড়ছেন ফিরহাদ, ইস্তফা ভলিবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে
-
‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় বুলডোজার বাবা’, মঞ্চে পা রাখতেই যোগীর উদ্দেশে স্লোগান জনতার