Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

ডার্বির আগেই প্লাজার হ্যাটট্রিক, টালিগঞ্জকে পাঁচ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

গোলপার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় ২৪ তারিখ মহাডার্বিতে জিততেই হবে মোহনবাগানকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭, ১১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭, ১১:৫০

options
link
ডার্বির আগেই প্লাজার হ্যাটট্রিক, টালিগঞ্জকে পাঁচ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল zoom

ইস্টবেঙ্গল-৫ (প্লাজা-৩, নিখিল, রালতে)

টালিগঞ্জ অগ্রগামী-০

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত মরশুমের ছবিটা বারেবারে ভেসে উঠেছে চলতি মরশুমেও। কর্তা-সমর্থকদের না-পসন্দ হলেও কিছুটা জোর করেই উইলিস প্লাজাকে দলে রেখেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ খালিদ জামিল। তবুও কলকাতা লিগে তেমনভাবে ভরসা জোগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর এই ফুটবলার। কিন্তু মহামেডান ম্যাচ থেকেই ছবিটা বদলাতে শুরু করে। শেষমুহূর্তে বিশ্বমানের গোল করে দলের হার বাঁচান। আর মঙ্গলবার প্লাজার হ্যাটট্রিকে ভর করেই সুভাষ ভৌমিকের টালিগঞ্জকে কার্যত উড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। গোল হল পাঁচটি। এর মধ্যে প্লাজা তিনটি এবং নিখিল পূজারী ও রালতে একটি করে গোল করেন। তবে সবকিছুর উর্ধ্বে প্লাজার হ্যাটট্রিক। ডার্বির আগে তাঁর গোলে ফেরাটা নিঃসন্দেহে স্বস্তি এনে দেবে লাল-হলুদ জনতাকে।

[বিরাটকে বিয়ের প্রস্তাব পাক পুলিশকর্মীর, হেসে খুন নেটিজেনরা]

ম্যাচ হারলে বা ড্র করলে ডার্বির আগেই অ্যাডভান্টেজ পাবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই পরিস্থিতিতে বেশ চাপেই ছিল খালিদ জামিল অ্যান্ড কোং। উলটোদিকে, কোচের হটসিটে বসে সুভাষ ভৌমিক। তাই লাল-হলুদ সমর্থকদের চিন্তার কারণ তো ছিলই। এদিকে, রক্ষণ জমাট বেঁধে খেলতে নেমেছিল টালিগঞ্জ। ফলে শুরু থেকেই পায়ের জঙ্গলে আটকে যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সমস্ত আক্রমণ। শেষপর্যন্ত স্বস্তি ফেরান উইলিস প্লাজা। ২৭ মিনিটে রফিকের কর্নার থেকে হেডে  গোল করে লাল-হলুদকে তিনি এগিয়ে দেন। এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আমনার পাস থেকে শট নেন রালতে। কিন্তু বারে লেগে ফিরে আসে সেই শট। টালিগঞ্জের ফুটবলাররা মাঝে মধ্যে আক্রমণে গেলেও গোলের মুখ খুলতে পারেননি। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ১-০ গোলে।

[ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য ডিন জোনসের]

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। আর তার জন্য বেশি সময়ও লাগেনি। ৫০ ও ৬৩ মিনিটে আরও দু’টি গোল করে হ্যাটট্রিক করেন প্লাজা। তখনই ইস্টবেঙ্গলের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। যদিও এরপরও ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের গোল খিদে কমেনি। ৮১ মিনিটে নিখিল পূজারি এবং ৮৩ মিনিটে রালতে গোল করেন। তবে সুযোগ নষ্ট না করলে দ্বিতীয়ার্ধে আরও দু’টি গোল করতে পারতেন এই পাহাড়ি খেলোয়াড়টি। ম্যাচের শেষদিকে বচসায় জড়িয়ে লালকার্ড দেখেন টালিগঞ্জের গৌতম কুজুর।

এই ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জেতার কারণে ডার্বিতে অ্যাডভান্টেজ ইস্টবেঙ্গল। টানা আটবার কলকাতা লিগ জিততে ২৪ তারিখের ম্যাচটি ড্র করলেই চলবে লাল-হলুদের। অপরদিকে, গোষ্ঠপাল সরণীতে কাপ নিয়ে যেতে হলে জিততেই হবে মোহনবাগানকে। কারণ গোল পার্থক্যে খালিদ জামিলের ছেলেরা আজকের ম্যাচের পর আরও এগিয়ে গেল।

[পিয়ারলেসকে হারিয়ে ডার্বির উত্তাপ বাড়িয়ে দিল মোহনবাগান]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.